জেল হত্যা দিবসে বঙ্গবন্ধু ও চার নেতার প্রতি শ্রদ্বা জানিয়েছেন যুবলীগ

প্রকাশিত: 5:00 PM, November 3, 2020

জেল হত্যা দিবসে বঙ্গবন্ধু ও চার নেতার প্রতি শ্রদ্বা জানিয়েছেন যুবলীগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : জেল হত্যা দিবসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমান প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদেন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ। এরপর বনানী কবরস্থানে ১৫ই আগস্টের কালরাতে নিহত সকল শহীদ ও কারাগারে নির্মমভাবে নিহত জাতীয় নেতাদের সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাতে অংশ নেয় সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) জেল হত্যা দিবস উপলক্ষ্যে সকালে ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু জাদুঘর প্রাঙ্গণ ও বনানী করবস্থানে অংশ নিয়ে এই শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।

ধানমন্ডিতে প্রথমে আওয়ামী লীগ লীগের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তর ও দক্ষিণের নেতারা শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নেয়। এসময় যুবলীগের কয়েকশত নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর একে একে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর দক্ষিণসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপতিমসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নেয়।

৩রা নভেম্বর। মঙ্গলবার জেলহত্যা দিবস। পচাঁত্তরের পনেরই আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর ক্ষমতা দখলকারী কারাগারের ভিতরে কলংকজনক পাশবিক ও নিষ্ঠুর এক হত্যাকান্ডের জাতির চার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে হত্যা করে। জাতীয় জীবনে নেমে আসে কালো ছায়া।

পনের আগস্টের নির্মম হত্যাকান্ডের পর তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতা স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবর্তমানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকারী উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী এম. মুনসুর আলী, খাদ্য ও ত্রাণ মন্ত্রী এ এইচ. এম কামারুজ্জামানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালো রাত্রিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পর খুনি মোশতাক-জিয়াচক্র কারান্তরালে এই জাতীয় চার নেতাকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে।

কিন্তু বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষ সুদীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম আর আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর খুনিচক্র এবং তাদের হত্যার রাজনীতিকে পরাজিত করেছে। আজ এদেশের জনগণ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে ঐক্যবদ্ধভাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে এগিয়ে চলেছে দুর্বার।

প্রতিবারের ন্যায় এবারও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সমগ্র বাঙালি জাতির সাথে সশ্রদ্ধচিত্তে যথাযথ মর্যাদা ও বেদনার সাথে শোকাবহ এ দিবসটিকে স্মরণ ও পালন করবে এবং এ লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।