প্রিন্স সদরুজ্জামানের পথচলা সততা, নীতি নৈতিকতাই পুঁজি

প্রকাশিত: ৭:০৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০

প্রিন্স সদরুজ্জামানের পথচলা সততা, নীতি নৈতিকতাই পুঁজি

প্রিন্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রিন্স সদরুজ্জামান চৌধুরী সিলেট আওয়ামী লীগ রাজনীতির এক পরিচ্ছন্ন মুখ । ছাত্রলীগ, যুবলীগ তারপর আওয়ামী লীগ ।

 

দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে মুজিবাদর্শের একজন আদর্শিক কর্মী হিসেবে নিজেকে তৈরি করেছেন তিলে তিলে । ৮৭ থেকে ২০২০ এই লম্বা পথেও কখনও আদর্শচুত্য হন নি, নৈতিকতা ভুলে গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসাননি । নিজের গায়ে কালি লাগতে দেননি কখনও ।

 

রাজনীতি করতে গিয়ে কারা নির্যাতিত হয়েছেন বারবার । এরশাদ সরকারের শাষণামলে, খালেদা সরকারের শাষণামলে এবং সর্বশেষ ১/১১ সরকারের শাষণামলে জেল খেটেছেন শুধু মাত্র রাজনীতি করার অপরাধে । ক্ষমতার খুব কাছে থেকেও ক্ষমতার লোভ যাকে কোনদিন স্পর্শ করতে পারেনি । একজন স্বজ্জন, নির্লোভ, নিরহংকার নেতা হিসেবে তৃণমুল আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর কাছেও তিনি পচন্দের মানুষ ।

 

রাজনীতির পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডেও তিনি ছিলেন সোচ্চার । শিল্পী সমাজের স্বার্থ সংরক্ষনে সবসময়ই ছিলেন শিল্পীদের পাশে । যে কারনে সিলেটের শিল্পী সমাজের কাছে তিনি ছিলেন প্রিয়পাত্র । একজন স্বনামধন্য গীতিকবি হিসেবেও রয়েছে তার দেশব্যাপী পরিচিতি ।

 

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের গত সম্মেলনে সাধারন সম্পাদক প্রার্থী হিসেবেও তিনি ছিলেন আলোচনায় । ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক । একজন কর্মীবান্ধব নেতা প্রিন্স সদরুজ্জামান চৌধুরী পারিবারিকভাবেই তৈরি হয়েছেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে ।

 

মুক্তিযোদ্ধা পিতার কাছ থেকেই শুনেছেন, জেনেছেন একজন বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে । ছোটবেলা থেকেই ড্রয়িংরুমের দেয়ালে টাঙ্গানো জাতির পিতার ছবি দেখে দেখে বড় হওয়া । সেই আদর্শকে ধারন করে পথচলা । যে পথে এখনও চলছেন সততা, নীতি আর নৈতিকতাকে পুঁজি করে ।

 

সম্প্রতি তার একটি ফেসবুক ষ্ট্যাটাস নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে তৃণমুল আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মাঝে । ষ্ট্যাটাসে আবেগ আর অনভূতির সুর । চ্যালেঞ্জ করেছেন “দুনিয়ার তাবৎ সংস্থা দিয়ে সুষ্ঠ তদন্ত করলে একটা অভিযোগও তার বিরুদ্ধে প্রমান করা যাবেনা-কারন তিনি কোনদিন কোন অপরাধ কর্মের সাথে যুক্ত ছিলেন না” ।

 

গত ২৪ সেপ্টেম্বর প্রিন্স সদরুজ্জামান চৌধুরী আইডিতে পোষ্ট করা ফেসবুক ষ্ট্যাটাসটি পাঠকের স্বার্থে হুবুহু তুলে ধরা হলো ।

 
“রাজনীতি শব্দের সাথে পরিচিত হবার পর থেকে অদ্যাবধি শুদ্ধ, স্বচ্ছ, পরিচ্ছন্ন আর আদর্শিক রাজনীতি করার চেষ্টা করেছি । গায়ে কালি লাগুক-এমন কোন কর্ম জ্ঞাতসারে করি নাই-কোনদিন করার ইচ্ছেও নেই । যারা আমাকে চেনেন-জানেন তারা ভালো বলতে পারবেন ।

 
অথচ এই শুদ্ধতা আর স্বচ্ছতার গোষ্ঠি মাড়িয়ে-আজ আমার গায়ে “কালি মাখিয়ে দেয়া হলো” ! কি পেলাম কি পেলাম না-তাতে কোন কষ্ট নেই, কোন আপসোসও নেই । কষ্ট একটাই ” মিথ্যা অপবাদ” যে অপবাদের কোন সত্যতা নেই!

 
বুকে হাত দিয়ে চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি “দুনিয়ার তাবৎ সংস্থা দিয়ে সুষ্ঠ তদন্ত করে, আমার বিরুদ্ধে একটা অপকর্মের অভিযোগও প্রমান করা যাবে না । কারন ” আমি কোনদিনই কোন অপরাধ কর্মের সাথে যুক্ত ছিলাম না  ।

 
অনেক কিছু লিখতে ইচ্ছে করে, কিন্তু পারিনা । আমি মানুষ তো “চক্ষু লজ্জা” বলে একটা কথা আছে । আমি বিশ্বাস করি আদর্শিক কর্মীর মৃত্যু নেই । সাময়িক দমিয়ে রাখা যায়-কিন্তু কোন ব্যারিকেডেই “স্ফোরণ আটকিয়ে রাখা যায় না” ।

 

এ ষ্ট্যাটাস সম্পর্কে প্রিন্স সদরুজ্জামান চৌধুরীর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, মুজিবাদর্শের ত্যাগী ও স্বচ্ছ নের্তৃত্বকে কমিটি থেকে বাদ দিতে তাদের গায়ে মিথ্যা কালিমা লেপনের চেষ্টা চলছে ।

 

 

যার সাথে সত্যের কোন সম্পর্ক নেই । সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের পুর্ণাঙ্গ প্রস্তাবিত কমিটিতে তাদেরকে বাদ দেয়ার যে অপকৌশল চলছে, এই ষ্ট্যাটাসের মধ্য দিয়ে তিনি তার অবস্থানটুকু পরিস্কার করেছেন ।