আলবেনিয়ায় কুশনার-লিঙ্কড রিসোর্ট বিরোধী বিক্ষোভকারীদের মুক্তির নির্দেশ আদালতের

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের প্রস্তাবিত বিলাসবহুল রিসোর্ট প্রকল্পের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত বিক্ষোভকারীদের মুক্তি দিয়েছে আলবেনিয়ার একটি আদালত। এই প্রকল্পকে কেন্দ্র করে দেশটিতে সরকার বিরোধী উত্তাপ বাড়ছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
06 Jul 2026, 03:00
Updated
06 Jul 2026, 03:00
Reading time
2 min
আলবেনিয়ায় কুশনার-লিঙ্কড রিসোর্ট বিরোধী বিক্ষোভকারীদের মুক্তির নির্দেশ আদালতের
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • জ্যারেড কুশনারের রিসোর্ট বিরোধী আন্দোলনে গ্রেফতার ব্যক্তিরা মুক্তি পেয়েছেন।
  • প্রস্তাবিত এই প্রকল্প আলবেনিয়ার রাজনৈতিক বিতর্কের প্রধান ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।
  • পরিবেশবাদী এবং স্থানীয়রা পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কায় এই প্রকল্পের বিরোধিতা করছেন।

আলবেনিয়ার বিচার বিভাগ সম্প্রতি দেশটির একটি বিতর্কিত পর্যটন প্রকল্পের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে গ্রেফতার হওয়া বিক্ষোভকারীদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জ্যারেড কুশনারের মালিকানাধীন সংস্থার মাধ্যমে প্রস্তাবিত এই বিলাসবহুল রিসোর্ট প্রকল্পটি এখন দেশটিতে রাজনৈতিক অস্থিরতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

আদালতের এই রায়কে আন্দোলনকারীদের প্রাথমিক বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, এই প্রকল্পের ফলে স্থানীয় পরিবেশের অপূরণীয় ক্ষতি হবে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার হরণ করা হবে। অন্যদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে একে বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণের বড় সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কুশনারের সংস্থা ইউরোপের অন্যতম এই কুমারী সৈকত অঞ্চলে শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। তবে এই চুক্তি নিয়ে স্বচ্ছতার অভাবের অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। তারা মনে করছেন, এটি কেবল ব্যবসায়িক চুক্তি নয় বরং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের একটি মাধ্যম।

প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ সত্ত্বেও, এই গ্রেফতারি ও পরবর্তী মুক্তি সংবাদটি আলবেনিয়ার সুশীল সমাজ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর নজরে এসেছে। আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছে পরিবেশবাদী গোষ্ঠীগুলো, যারা দীর্ঘদিন ধরে ভ্লোরা অঞ্চলের প্রাকৃতিক এলাকা রক্ষার দাবি জানিয়ে আসছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কুশনারের এই প্রকল্প নিয়ে আগামীতে আরও বড় ধরনের আন্দোলনের মুখে পড়তে পারে আলবেনীয় সরকার। বিশেষ করে পরিবেশগত প্রভাব এবং ভূমির মালিকানা নিয়ে যে অস্পষ্টতা রয়েছে, তা সমাধানের দাবি জোরালো হচ্ছে।