বন্দে মাতরম বিতর্ক: অমিত শাহের অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক ডাইভারশন’ বলে উড়িয়ে দিল কংগ্রেস

স্বাধীনতা দিবসে কংগ্রেস সদর দপ্তরে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোনিয়া গান্ধীর ক্ষমা প্রার্থনা দাবি করেছেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। এর জবাবে বিজেপি-র বিরুদ্ধে আবেগপূর্ণ বিষয় নিয়ে নোংরা রাজনীতির অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
17 Aug 2026, 01:30
Updated
17 Aug 2026, 01:30
Reading time
2 min
বন্দে মাতরম বিতর্ক: অমিত শাহের অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক ডাইভারশন’ বলে উড়িয়ে দিল কংগ্রেস
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • কংগ্রেস সদর দপ্তরে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান নিয়ে সোনিয়া গান্ধীর ক্ষমা চাইল বিজেপি।
  • বিজেপির অভিযোগকে অপ্রাসঙ্গিক এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলল কংগ্রেস।
  • জাতীয়তাবাদী আবেগকে বিজেপি রাজনৈতিক হাতিয়ার করছে বলে দাবি বিরোধী শিবিরের।

ভারতের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে রাজনৈতিক বাগযুদ্ধ তুঙ্গে উঠেছে। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অমিত শাহ কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা দাবি করেছেন। বিজেপি নেতাদের দাবি, কংগ্রেস সদর দপ্তরে জাতীয় দিবস পালনের সময় যথাযথ মর্যাদা রক্ষিত হয়নি।

অমিত শাহের এই কড়া অবস্থানের জবাবে কংগ্রেস স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে তারা ক্ষমা চাইবে না। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি একটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক বিষয় যাকে বিজেপি রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে বড় করে দেখাচ্ছে। কংগ্রেসের দাবি, জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে এবং মূল সমস্যাগুলো থেকে নজর ঘোরাতে বিজেপি এই 'রাজনৈতিক ডাইভারশন' কৌশল ব্যবহার করছে।

কংগ্রেসের সিনিয়র নেতারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, বন্দে মাতরম বা জাতীয়তাবাদের মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলোকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। তারা বিজেপির এই পদক্ষেপকে 'সস্তা রাজনীতি' হিসেবে অভিহিত করেছেন। দলটির মতে, স্বাধীনতা দিবসের মতো একটি পবিত্র দিনের মর্যাদা রক্ষা না করে বিজেপি বরং বিভাজনের রাজনীতি করছে।

অন্যদিকে, বিজেপি তাদের দাবিতে অনড়। গেরুয়া শিবিরের মতে, জাতীয় পতাকাকে সম্মান জানানো এবং জাতীয় সঙ্গীত বা বন্দে মাতরমের অমর্যাদা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দুই দলের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানে ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আসন্ন নির্বাচনের আগে জাতীয়তাবাদকে সামনে রেখে ভোটব্যাংক সংহত করার লক্ষ্যেই এই বিতর্ককে জিইয়ে রাখা হচ্ছে। কংগ্রেস এই ফাঁদে পা না দেওয়ার কৌশল নিলেও বিজেপি একে বড় ইস্যু করতে মরিয়া।