সীমানা নির্ধারণ ও মন্ত্রী অপসারণ বিল পাসে সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই: জয়রাম রমেশ
কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ দাবি করেছেন যে, সীমানা নির্ধারণ এবং ১৩০তম সংবিধান সংশোধনী বিল পাসের জন্য বিজেপি সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় সংসদীয় সংখ্যা নেই। বিরোধী শিবির এই আইনি লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত।

এক নজরে
- সীমানা নির্ধারণ বিল পাসে সরকারের প্রয়োজনীয় সংখ্যা নেই বলে কংগ্রেসের দাবি।
- ১৩০তম সংবিধান সংশোধনী বিল নিয়েও সরকারের চ্যালেঞ্জের কথা জানান জয়রাম রমেশ।
- সংসদীয় লড়াইয়ে বিরোধী দলগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ভারতের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, কেন্দ্রীয় সরকার সংসদের উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষে যথাযথ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছাড়াই গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করার চেষ্টা করছে। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক (যোগাযোগ) জয়রাম রমেশ বিশেষ করে দুটি ‘ডি’ (D) সংবলিত বিলের কথা উল্লেখ করেছেন—ডেলিমিটেশন (সীমানা নির্ধারণ) এবং ডিসমিসাল (মন্ত্রী অপসারণ)।
জয়রাম রমেশের মতে, সরকারের হাতে প্রয়োজনীয় সংখ্যা নেই যা দিয়ে তারা এককভাবে সীমানা নির্ধারণ বিল বা ১৩০তম সংবিধান সংশোধনী বিল পাস করাতে পারে। এই সংশোধনী বিলটি মূলত মন্ত্রীদের অপসারণ বা বরখাস্ত করার প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত। কংগ্রেসের শীর্ষ এই নেতা মনে করেন, সরকার বিরোধী জোটের শক্তিকে অবমূল্যায়ন করছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রমেশের এই মন্তব্য আগামী সংসদীয় অধিবেশনগুলোতে উত্তাপ ছড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে। কংগ্রেস বর্তমানে তাদের মিত্রদের সাথে সমন্বয় করে সরকারকে সংসদীয় প্রক্রিয়ায় চ্যালেঞ্জ করার কৌশল গ্রহণ করছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে শাসক দলের ওপর চাপ বাড়ানোই এখন বিরোধীদের মুখ্য উদ্দেশ্য।
জয়রাম রমেশ আরও জোর দিয়ে বলেন যে, কংগ্রেস এবং তার সহযোগীরা সংসদের ভেতরে ও বাইরে সরকারের যেকোনো অগণতান্ত্রিক পদক্ষেপ মোকাবিলা করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তিনি বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের ওপর আস্থা না থাকার বিষয়টি পরোক্ষভাবে তুলে ধরেন। সরকারের পক্ষ থেকে অবশ্য এই দাবির বিপরীতে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
