কিডওয়াই ক্যান্সার ইনস্টিটিউটে অনিয়মের অভিযোগ: তদন্ত কমিটি গঠন করল কর্ণাটক সরকার
বেঙ্গালুরুর বিখ্যাত কিডওয়াই মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউট অফ অনকোলজিতে আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কর্ণাটক সরকার।

এক নজরে
- বেঙ্গালুরুর কিডওয়াই ক্যান্সার ইনস্টিটিউটে অনিয়মের তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন।
- আর্থিক তছরুপ এবং প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।
- তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে কর্ণাটক সরকার।
বেঙ্গালুরুর বিখ্যাত কিডওয়াই মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউট অফ অনকোলজি (KMIO) বর্তমানে আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার মুখে পড়েছে। কর্ণাটক সরকার এই মর্যাদাপূর্ণ ক্যান্সার গবেষণা ও চিকিৎসা কেন্দ্রে পরিলক্ষিত বিভিন্ন অনিয়ম তদন্তের জন্য একটি বিশেষ প্যানেল গঠন করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরেই এই সরকারি প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অব্যবস্থাপনা এবং প্রশাসনিক গাফিলতির অভিযোগ উঠছিল। বিশেষ করে চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয় এবং রোগীদের পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে নাগরিক ও রোগীদের একাংশ অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছিলেন।
নতুন গঠিত এই তদন্ত কমিটিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই কমিটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে বলে জানানো হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
কিডওয়াই ইনস্টিটিউট দক্ষিণ ভারতের অন্যতম বৃহৎ ক্যান্সার হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত। এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার দুস্থ রোগী সাশ্রয়ী মূল্যে চিকিৎসার জন্য আসেন। এহেন একটি প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের অভিযোগ জনমনে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ অডিট রিপোর্টে কিছু অসামঞ্জস্য ধরা পড়েছে। এছাড়া আউটসোর্সিং নিয়োগ এবং ওষুধের স্টক ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতির অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তদন্ত চলাকালীন হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসা পরিষেবা যাতে ব্যাহত না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে। রোগীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।
