অতিরিক্ত কর্মঘণ্টায় বিপর্যস্ত চিকিৎসকদের মানসিক স্বাস্থ্য: সুপ্রিম কোর্টে স্বীকারোক্তি এনএমসি-র

ভারতে রেসিডেন্ট চিকিৎসকদের দীর্ঘ কর্মঘণ্টা ও মানসিক চাপের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশন (এনএমসি)। কমিশনের মতে, চিকিৎসকদের এই প্রতিকূল পরিস্থিতি রোগীদের নিরাপত্তার জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 07:00
Updated
02 Aug 2026, 07:00
Reading time
2 min
অতিরিক্ত কর্মঘণ্টায় বিপর্যস্ত চিকিৎসকদের মানসিক স্বাস্থ্য: সুপ্রিম কোর্টে স্বীকারোক্তি এনএমসি-র
স্বাস্থ্য · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • দীর্ঘ কর্মঘণ্টা রেসিডেন্ট চিকিৎসকদের মধ্যে তীব্র মানসিক চাপের সৃষ্টি করছে।
  • চিকিৎসকদের সুস্থতা উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য জরুরি বলে এনএমসি মনে করে।
  • কর্মঘণ্টা কার্যকর করার ক্ষমতা হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের হাতে বলে জানানো হয়েছে।

ভারতে রেসিডেন্ট চিকিৎসকদের অসহনীয় কর্মঘণ্টা এবং তার ফলে সৃষ্ট মানসিক স্বাস্থ্য সংকট নিয়ে শীর্ষ আদালতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশন (এনএমসি)। সংস্থাটি স্বীকার করেছে যে, বিরতিহীন কাজ এবং অতিরিক্ত কাজের চাপ চিকিৎসকদের মধ্যে তীব্র মনস্তাত্ত্বিক যন্ত্রণার সৃষ্টি করছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়।

এনএমসি আদালতকে জানিয়েছে যে, চিকিৎসকদের জন্য একটি সহনশীল এবং নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করা কেবল তাদের ব্যক্তিগত সুস্থতার জন্যই নয়, বরং মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্যও অপরিহার্য। যখন একজন চিকিৎসক অতিরিক্ত ক্লান্ত থাকেন, তখন তার চিকিৎসার মান কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, যা সরাসরি রোগীর জীবনের ওপর প্রভাব ফেলে।

তবে এই সমস্যার সমাধানে আইনি বা প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করেছে কমিশন। তারা জানিয়েছে, কর্মঘণ্টা নিয়ন্ত্রণ বা প্রয়োগের সরাসরি ক্ষমতা তাদের এখতিয়ারভুক্ত নয়, বরং এটি সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এবং হাসপাতাল প্রশাসনের ওপর নির্ভর করে। এই প্রশাসনিক জটিলতার কারণে সমস্যাটি দীর্ঘায়িত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, বিভিন্ন চিকিৎসক সংগঠন এই পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, কর্মক্ষেত্রের এই দমবন্ধ করা পরিবেশের কারণে চিকিৎসকদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। যথাযথ বিশ্রাম এবং মানসিক স্বাস্থ্যের সহায়তা ছাড়া এই সংকট মোকাবিলা করা অসম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।