জম্মু-কাশ্মীরের পূর্ণ মর্যাদা ও সাংবিধানিক সুরক্ষায় বদ্ধপরিকর ওমর আবদুল্লাহ
জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ উপত্যকার বিশেষ মর্যাদা পুনর্বহাল এবং পূর্ণ রাজ্য হিসেবে পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি ২০১৯ সালের সিদ্ধান্তকে পাকিস্তানের অধিকৃত কাশ্মীরের প্রেক্ষাপটে একটি কৌশলগত ক্ষতি হিসেবে বর্ণনা করেন।

এক নজরে
- জম্মু ও কাশ্মীরের পূর্ণ রাজ্য মর্যাদা পুনরুদ্ধারে ওমরের অঙ্গীকার।
- ২০১৯ সালে বিশেষ মর্যাদা বাতিলের সিদ্ধান্তকে কৌশলগত ভুল হিসেবে চিহ্নিত।
- পিওকে-র মানুষের ভারতের প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়ার পেছনে ৩৭০ ধারা বাতিলকে দায়ী করেছেন।
জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ আবারও জোর দিয়ে বলেছেন যে তার প্রশাসন এই অঞ্চলের পূর্ণ রাজ্য মর্যাদা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে কাজ করে যাবে। তিনি মনে করেন, কেন্দ্র সরকার ২০১৯ সালে উপত্যকার বিশেষ সাংবিধানিক সুরক্ষা বাতিল করে একটি বড় ধরনের রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি করেছে।
ওমর আবদুল্লাহর মতে, যদি ভারত সরকার ২০১৯ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন বা ৩৭০ ধারা বাতিল না করত, তবে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত। তিনি দাবি করেন, ওপার কাশ্মীরের (পিওকে) মানুষ ভারতের সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য আরও বেশি আগ্রহী হতো যদি তারা দেখত যে জম্মু ও কাশ্মীর তার বিশেষ মর্যাদা রক্ষা করতে পেরেছে।
বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে, উপত্যকার জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সাংবিধানিক গ্যারান্টি পুনরুদ্ধার করা অপরিহার্য। তিনি মনে করেন, গত পাঁচ বছরে জম্মু ও কাশ্মীরের পরিচয় এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় যে পরিবর্তন আনা হয়েছে, তা সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপন্থী।
আবদুল্লাহ আরও উল্লেখ করেন যে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং আস্থার পরিবেশ তৈরি করতে রাজ্য মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ। ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা বিশ্বাস করেন যে, জম্মু ও কাশ্মীরের নিজস্ব পরিচিতিই হতে পারত পাকিস্তানের অধিকৃত কাশ্মীরের মানুষের কাছে একটি দৃষ্টান্ত।
