ববিলি বীণা কারিগরদের ভূয়সী প্রশংসা করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
অন্ধ্রপ্রদেশের বিজিয়ানগরম জেলার ঐতিহ্যবাহী ববিলি বীণার কারুকার্য এখন জাতীয় স্তরে সমাদৃত। প্রধানমন্ত্রী মোদী এই ধ্রুপদী বাদ্যযন্ত্রের নেপথ্যে থাকা শিল্পীদের নিষ্ঠার বিশেষ স্বীকৃতি দিয়েছেন।

এক নজরে
- বিজিয়ানগরমের ববিলি বীণা কারিগরদের প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
- দক্ষ কারিগরদের হাতের জাদুতে তৈরি এই বীণা ধ্রুপদী সংগীতে অনন্য স্থান অধিকার করেছে।
- জাতীয় পর্যায়ের পৃষ্ঠপোষকতার ফলে এই ঐতিহ্যবাহী শিল্প আজ বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
অন্ধ্রপ্রদেশের বিজিয়ানগরম জেলার ঐতিহাসিক ববিলি শহরটি তার অনন্য বাদ্যযন্ত্র তৈরির ঐতিহ্যের জন্য দীর্ঘকাল ধরে পরিচিত। সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই বিশেষ বাদ্যযন্ত্র, ববিলি বীণা তৈরির সাথে যুক্ত দক্ষ কারিগরদের প্রশংসা করেছেন। এই বীণা কেবল একটি বাদ্যযন্ত্র নয়, এটি দক্ষিণ ভারতীয় ধ্রুপদী সংগীতের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ববিলি বীণা তৈরির প্রক্রিয়া অত্যন্ত জটিল এবং এটি দীর্ঘ সময়ের নিবিড় শ্রমের ফসল। একটি মাত্র কাঠের টুকরো থেকে খোদাই করে তৈরি এই যন্ত্রটি তার সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং গভীর ধ্বনির জন্য বিশ্বজুড়ে সংগীতজ্ঞদের দ্বারা প্রশংসিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই প্রশংসা স্থানীয় কারিগরদের মনোবলকে অনেকাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে।
দেশের বিশিষ্ট সংগীতজ্ঞদের দীর্ঘদিনের পৃষ্ঠপোষকতা এই বাদ্যযন্ত্রটিকে জাতীয় স্তরে এক বিশেষ উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পের প্রসারে বিভিন্ন সময় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ নেওয়া হলেও, খোদ সরকার প্রধানের পক্ষ থেকে এমন স্বীকৃতি শিল্পীদের জন্য এক নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ববিলি বীণার মতো ঐতিহ্যবাহী শিল্পের সংরক্ষণ ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে আরও সমৃদ্ধ করবে। বর্তমান প্রজন্মের কাছে এই শিল্পের গুরুত্ব তুলে ধরার ক্ষেত্রে এই ধরনের রাষ্ট্রীয় প্রশংসা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারিগররা আশা করছেন, এই স্বীকৃতির ফলে তাদের উৎপাদিত পণ্যের বাজার আরও বিস্তৃত হবে।
