রিফ্লেক্টিং পুল মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প

ওয়াশিংটন ডিসির লিংকন মেমোরিয়াল রিফ্লেক্টিং পুলে ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বিচার বিভাগের এই পদক্ষেপকে তিনি অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেছেন।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 04:45
Updated
02 Aug 2026, 04:45
Reading time
2 min
রিফ্লেক্টিং পুল মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • রিফ্লেক্টিং পুলে ক্ষয়ক্ষতির মামলা বাতিল করায় বিচার বিভাগের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প।
  • প্রসিকিউটরদের দাবি, ভাঙচুর নয় বরং ভুল ইনস্টলেশনের কারণে ক্ষতি হয়েছে।
  • এই সিদ্ধান্তকে জাতীয় সম্পদের অবমাননা হিসেবে দেখছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিচার বিভাগের সাম্প্রতিক এক সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন। ওয়াশিংটন ডিসির ঐতিহাসিক রিফ্লেক্টিং পুলে ঘটে যাওয়া ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা চার্জ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।

ফেডারেল প্রসিকিউটররা সম্প্রতি জানান যে, পুলের ক্ষয়ক্ষতি কোনো উদ্দেশ্যমূলক ভাঙচুর বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ফলাফল ছিল না। বরং তদন্তে দেখা গেছে, ত্রুটিপূর্ণ স্থাপনা প্রক্রিয়ার (botched installation) কারণেই এই ক্ষতি হয়েছে। এই যুক্তিতে তারা মামলাটি এগিয়ে না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তবে এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি মনে করেন, জাতীয় সম্পদের ওপর আঘাতের ঘটনায় অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হচ্ছে। তার মতে, এটি কেবল একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটি নয়, বরং এর পেছনে অন্য কারণ থাকতে পারে যা অধিকতর তদন্তের দাবি রাখে।

এই ঘটনাটি হোয়াইট হাউস এবং বিচার বিভাগের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। প্রেসিডেন্টের অনুসারীরা একে বিচার বিভাগের শিথিলতা হিসেবে দেখলেও আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ ছাড়া কোনো মামলা পরিচালনা করা আইনত সম্ভব নয়।

বর্তমানে রিফ্লেক্টিং পুলের সংস্কার কাজ চলছে। প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থাপনার সময় ব্যবহৃত উপকরণের মান এবং প্রকৌশলগত ত্রুটির কারণে কাঠামোগত ফাটল দেখা দিয়েছিল, যা পরবর্তীতে পানি লিক হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

বিচার বিভাগ তাদের অবস্থানে অনড় থেকে জানিয়েছে যে, কোনো বিদ্বেষমূলক উদ্দেশ্য প্রমাণিত না হওয়ায় ফৌজদারি মামলার ভিত্তি নেই। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই ক্ষোভ ভবিষ্যতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের বিতর্ককে আরও উস্কে দিতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।