ট্রাম্পের অধীনে ইরান নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত মার্কো রুবিও জানিয়েছেন যে, ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে তেহরান এমন এক পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে যাচ্ছে যা তারা এর আগে কখনও দেখেনি। মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেন তিনি।

এক নজরে
- মার্কো রুবিও ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর মার্কিন নীতির পূর্বাভাস দিয়েছেন।
- ট্রাম্পের নেতৃত্বে তেহরান নজিরবিহীন অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়বে বলে দাবি।
- মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব কমাতে যুক্তরাষ্ট্র আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান নিতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন মেয়াদে ইরানের প্রতি দেশটির পররাষ্ট্র নীতিতে আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন হবু পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তার মতে, তেহরান অতীতে অনেক মার্কিন প্রশাসনের মুখোমুখি হলেও ট্রাম্পের মতো কঠোর অবস্থানের সম্মুখীন হওয়ার অভিজ্ঞতা তাদের নেই। এই মন্তব্যটি এমন এক সময়ে এল যখন মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিচ্ছে।
রুবিও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ট্রাম্প প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হবে ইরানের অর্থনৈতিক উৎসগুলো বন্ধ করা এবং দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির লাগাম টেনে ধরা। এর আগে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে 'সর্বোচ্চ চাপ' প্রয়োগের যে নীতি অনুসরণ করা হয়েছিল, এবার তা আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
রিপাবলিকান এই সিনেটর মনে করেন, ইরান দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে অস্থিরতা তৈরি করে আসছে। ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র এই ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে। রুবিওর এই অবস্থান স্পষ্ট করে যে, আগামী দিনগুলোতে ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের কোনো উন্নতির সম্ভাবনা আপাতত নেই।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, রুবিওর এই হুঁশিয়ারি মূলত একটি মনস্তাত্ত্বিক চাপের অংশ। তবে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত কূটনীতি এবং কঠোর নিষেধাজ্ঞার মিশ্রণ ইরানের জন্য এক নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে। সামনের দিনগুলোতে জ্বালানি বাজারে এর কী প্রভাব পড়ে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
