কেরালার কোলে জলাভূমিতে বর্ষাকালীন পাখি পর্যবেক্ষণ: বিপন্ন প্রজাতির প্রজনন শনাক্ত

কেরালার বিখ্যাত কোলে জলাভূমিতে সাম্প্রতিক এক বর্ষাকালীন পদযাত্রায় ৩৮টিরও বেশি প্রজাতির পাখির উপস্থিতি এবং তাদের প্রজনন কার্যক্রম নথিভুক্ত করেছেন পরিবেশবিদ ও পাখি পর্যবেক্ষকরা।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
05 Jul 2026, 20:46
Updated
05 Jul 2026, 20:46
Reading time
2 min
কেরালার কোলে জলাভূমিতে বর্ষাকালীন পাখি পর্যবেক্ষণ: বিপন্ন প্রজাতির প্রজনন শনাক্ত
বিজ্ঞান · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • কোলে জলাভূমির বর্ষাকালীন অভিযানে ৩৮টিরও বেশি প্রজাতির পাখি শনাক্ত করা হয়েছে।
  • ব্ল্যাক-উইংড স্টিল্ট বা কালো ডানাযুক্ত ঠ্যাঙি পাখির সফল প্রজনন নথিভুক্ত।
  • জলাভূমি সংরক্ষণে স্থানীয় সচেতনতা ও পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ।

কেরালার জীববৈচিত্র্যপূর্ণ কোলে জলাভূমিতে সম্প্রতি একটি বিশেষ 'মনসুন ওয়াক' বা বর্ষাকালীন পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল বর্ষায় এই জলাভূমির বাস্তুসংস্থান এবং এখানে বসবাসরত পাখিদের প্রজনন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা। পাখি পর্যবেক্ষক এবং পরিবেশবিদদের একটি দল এই অভিযানে অংশ নেন।

মাঠ পর্যায়ের এই পর্যবেক্ষণে পরিযায়ী এবং স্থানীয় মিলে প্রায় ৩৮টিরও বেশি প্রজাতির পাখির দেখা মিলেছে। জলাভূমির বর্তমান পরিবেশ পাখিদের বংশবিস্তারের জন্য কতটা সহায়ক, তা যাচাই করাই ছিল এই কার্যক্রমের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে জলাভূমিগুলোর প্রকৃতিতে যে পরিবর্তন আসছে, তার প্রেক্ষিতে এই পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই অভিযানের অন্যতম উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি ছিল ব্ল্যাক-উইংড স্টিল্ট বা কালো ডানাযুক্ত ঠ্যাঙি পাখির ছানাদের উপস্থিতি। এটি প্রমাণ করে যে এই জলাভূমি এখনও অনেক বিরল প্রজাতির পাখির নিরাপদ প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করছে। পর্যবেক্ষকরা প্রতিটি পাখির গতিবিধি এবং প্রজনন স্বভাব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন।

পরিবেশবিদরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, ক্রমবর্ধমান নগরায়ণ এবং দূষণ এই গুরুত্বপূর্ণ পাখিদের আবাসস্থলকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। কোলে জলাভূমির মতো সংবেদনশীল এলাকাগুলোকে রক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ধরনের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করবে।