অস্ট্রেলিয়ার উত্তর আর্নহেম ল্যান্ডে নতুন ‘দিলক ল্যান্ড কাউন্সিল’ গঠন, ল্যান্ড রাইটসের নতুন যুগে প্রবেশ

গর্মা উৎসবে আর্নহেম ল্যান্ডের প্রবীণ নেতা জাওয়া ইউনুপিনগু নতুন 'দিলক ল্যান্ড কাউন্সিল' গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এই উদ্যোগটি আদিবাসীদের হাতে সরাসরি ভূমির নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দেওয়ার পথে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 09:01
Updated
02 Aug 2026, 09:00
Reading time
2 min
অস্ট্রেলিয়ার উত্তর আর্নহেম ল্যান্ডে নতুন ‘দিলক ল্যান্ড কাউন্সিল’ গঠন, ল্যান্ড রাইটসের নতুন যুগে প্রবেশ
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • আর্নহেম ল্যান্ডে আদিবাসীদের অধিকার রক্ষায় 'দিলক ল্যান্ড কাউন্সিল' গঠিত হয়েছে।
  • ব্রিসবেন অলিম্পিক ২০৩২-এর নকশা নিয়ে সবুজ বনভূমি হারানোর শঙ্কায় স্থানীয় জনতা।
  • রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়াই দুর্নীতি দমন সংস্থা আইক্যাককে স্বাধীনভাবে কাজ করার আহ্বান।

অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্ব আর্নহেম ল্যান্ডের আদিবাসী সম্প্রদায় তাদের ভূমির অধিকার ও স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গর্মা উৎসবে আদিবাসী নেতা জাওয়া ইউনুপিনগু আনুষ্ঠানিকভাবে 'দিলক ল্যান্ড কাউন্সিল' গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানান, এই কাউন্সিলের মাধ্যমে জমির মালিকানা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরে আসবে।

গর্মা উৎসবের জাতীয় মঞ্চে দাঁড়িয়ে ইউনুপিনগু রাজনৈতিক নেতা এবং দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিদের সামনে স্পষ্টভাবে বলেন যে, আর্নহেম ল্যান্ডের ভবিষ্যতের শক্তি হবে এই নতুন কাউন্সিল। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ক্ষমতা অবশ্যই সরাসরি জমির মালিকদের হাতে ন্যস্ত থাকতে হবে যাতে তারা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও স্বার্থ রক্ষা করতে পারেন।

এদিকে ব্রিসবেনে ২০৩২ সালের অলিম্পিক গেমস ঘিরে বিতর্কের নতুন মোড় দেখা দিয়েছে। প্রস্তাবিত অলিম্পিক প্রাঙ্গণের নকশা বা কনসেপ্ট ছবি প্রকাশিত হওয়ার পর স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবেশবাদী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, এই প্রকল্পের ফলে সবুজ এলাকা ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বসম্পন্ন স্থানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা ‘আইক্যাক’ (Icac)-এর কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ মুক্ত থেকে সংস্থাটিকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই দ্বিমুখী পরিস্থিতি অস্ট্রেলিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও আদিবাসী অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে এক জটিল মোড়ে দাঁড় করিয়েছে।