ইরানে শোকের ছায়া: আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইর জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই আততায়ীর হাতে নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই। তার শেষ বিদায়ে তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় সমবেত হয়েছেন হাজারো শোকার্ত জনতা।

এক নজরে
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনে খামেনেই নিহত হন।
- তেহরানে শোকাতুর হাজারো মানুষের সমাগম ও রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার।
- যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নতুন নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জ দেখছে ইরান।
তেহরানের আকাশ এখন শোকের চাদরে ঢাকা। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইর মৃত্যুতে দেশজুড়ে এক অস্থির পরিস্থিতি বিরাজ করছে। গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সশস্ত্র সংঘাত শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই তিনি আততায়ীর হামলার শিকার হন।
ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আজ কালো পোশাকে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। খামেনেইর মরদেহ সেখানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শায়িত রাখা হয়েছে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সেখানে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হচ্ছেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খামেনেইর প্রয়াণ এ অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিতে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি করেছে। বিশেষ করে ওয়াশিংটনের সাথে সরাসরি যুদ্ধ চলাকালে এই ধরনের বড় নেতার অন্তর্ধান তেহরানের পরবর্তী সামরিক কৌশলে কী প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তেহরানের রাস্তায় কঠোর নিয়ন্ত্রণ জারি করা হয়েছে। সামরিক বাহিনীর একটি বড় অংশ রাজধানী ও সীমান্ত এলাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আগামী কয়েক দিন ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির জন্য অত্যন্ত সংকটময় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
