ইপিএফও জালিয়াতি মামলা: অনিল আম্বানি ও রিলায়েন্স ক্যাপিটালের বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের পদক্ষেপ

কর্মচারী ভবিষ্য তহবিল সংস্থার (ইপিএফও) বিপুল পরিমাণ অর্থ লোকসানের অভিযোগে অনিল আম্বানি ও রিলায়েন্স ক্যাপিটালের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। প্রায় ১,৮১৬ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে এই শিল্পপতির বিরুদ্ধে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 07:02
Updated
02 Aug 2026, 07:01
Reading time
2 min
ইপিএফও জালিয়াতি মামলা: অনিল আম্বানি ও রিলায়েন্স ক্যাপিটালের বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের পদক্ষেপ
অর্থনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • ইপিএফও-র ১,৮১৬ কোটি টাকা লোকসানের অভিযোগে সিবিআইয়ের মামলা।
  • রিলায়েন্স ক্যাপিটালের ২,৫০০ কোটি টাকার ডিবেঞ্চার ডিফল্ট এই তদন্তের মূলে।
  • অনিল আম্বানি সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং আইনি লড়াইয়ের কথা জানিয়েছেন।

ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই) প্রখ্যাত শিল্পপতি অনিল আম্বানি এবং তার সংস্থা রিলায়েন্স ক্যাপিটালের বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেছে। এই মামলার মূল ভিত্তি হলো কর্মচারী ভবিষ্য তহবিল সংস্থা বা ইপিএফও-র প্রায় ১,৮১৬ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি। তদন্তকারী সংস্থাগুলোর দাবি, রিলায়েন্স ক্যাপিটালের ডিবেঞ্চারে বিনিয়োগ করে এই বিপুল অঙ্কের লোকসানের মুখে পড়েছে সরকারি এই সংস্থাটি।

বিবরণী অনুযায়ী, ইপিএফও রিলায়েন্স ক্যাপিটালের ডিবেঞ্চারে মোট ২,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিল। পরবর্তীতে সংস্থাটি তাদের ঋণের কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ বা ডিফল্ট হয়, যার ফলে বিনিয়োগকারীদের অর্থ ঝুঁকির মুখে পড়ে। যদিও এর আগে বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে বলে মনে করা হয়েছিল, তবে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) সাম্প্রতিক কিছু তথ্যপ্রমাণ এই নতুন এফআইআর দায়ের করতে সিবিআইকে উদ্বুদ্ধ করেছে।

তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মতে, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু আর্থিক অনিয়ম ও তথ্য গোপন করার অভিযোগ রয়েছে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দীর্ঘ অনুসন্ধানে রিলায়েন্স ক্যাপিটালের আর্থিক লেনদেনে অস্বচ্ছতা ধরা পড়ার পরেই সিবিআই এই ফৌজদারি মামলাটি হাতে নেয়। এটি অনিল আম্বানির শিল্প গোষ্ঠীর জন্য একটি নতুন আইনি সংকট তৈরি করল।

এদিকে অনিল আম্বানি বা তার প্রতিনিধিরা সব ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, কোনো ধরনের জালিয়াতি বা আইন বহির্ভূত কাজ করা হয়নি। পুরো বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মোকাবিলা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। আপাতত সিবিআই এই অভিযোগের পেছনের গভীর ষড়যন্ত্র ও আর্থিক প্রবাহ খতিয়ে দেখছে।