বাংলাদেশ আজকাল — Bangladesh Ajkal

নীলকুরিঞ্জি ফুলের সমারোহে সেজেছে কেরালার মুন্নার, পর্যটকদের জন্য খুলছে চোকরামুদি পাহাড়

কেরালার মুন্নারে নীলকুরিঞ্জি ফুলের বিরল গণ-প্রস্ফুটন শুরু হয়েছে। চোকরামুদি, ইদালিমেদু এবং মিশাপুলিমালা পাহাড় জুড়ে নীল রঙের গালিচা পর্যটকদের আকৃষ্ট করছে, যার ফলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
15 Aug 2026, 13:45
Updated
15 Aug 2026, 13:45
Reading time
2 min
নীলকুরিঞ্জি ফুলের সমারোহে সেজেছে কেরালার মুন্নার, পর্যটকদের জন্য খুলছে চোকরামুদি পাহাড়
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • মুন্নারের চোকরামুদি পাহাড়ে নীলকুরিঞ্জি ফুলের গণ-প্রস্ফুটন শুরু হয়েছে।
  • চোকরামুদির পাশাপাশি ইদালিমেদু ও মিশাপুলিমালা এলাকাতেও ফুলের সমারোহ দেখা যাচ্ছে।
  • পরিবেশ রক্ষা নিশ্চিত করে পর্যটকদের জন্য পাহাড়ের প্রবেশ পথ উন্মুক্ত করা হয়েছে।

ভারতের কেরালা রাজ্যের মুন্নারে অবস্থিত মনোরম চোকরামুদি পাহাড় আবারও পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হতে প্রস্তুত। প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নীলকুরিঞ্জি ফুলের গণ-প্রস্ফুটন এবার এই পাহাড়ের ঢালে দৃশ্যমান হচ্ছে, যা পুরো এলাকাকে এক মায়াবী নীল আভা এনে দিয়েছে।

প্রতি ১২ বছর পর পর প্রস্ফুটিত হওয়া এই বিশেষ ফুলের দেখা পেতে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা মুন্নারে ভিড় করেন। যদিও সব প্রজাতির নীলকুরিঞ্জি ১২ বছর সময় নেয় না, তবে নির্দিষ্ট কিছু এলাকার প্রস্ফুটন চক্র পর্যটন শিল্পে ব্যাপক সাড়া ফেলে। এই বছর চোকরামুদি হিলসের পাশাপাশি ইদালিমেদু এবং মিশাপুলিমালা অঞ্চলেও এই বেগুনি-নীল ফুলের সমারোহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসন পর্যটকদের এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার সুযোগ দিতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সংরক্ষিত পাহাড়ি এলাকাগুলোতে প্রবেশের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়মাবলি ও নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে যাতে পরিবেশের কোনো ক্ষতি না হয়। বিশেষ করে নীলকুরিঞ্জি গাছ বা ফুল স্পর্শ করা বা উপড়ে ফেলা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই প্রস্ফুটনের ফলে মুন্নারের স্থানীয় অর্থনীতি ও পর্যটন ব্যবসায় নতুন গতির সঞ্চার হবে। নীলকুরিঞ্জির এই সৌন্দর্য সাধারণত কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হয়, তাই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই পর্যটকদের এই বিরল দৃশ্য উপভোগ করার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এটি শুধুমাত্র কেরালার প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যই তুলে ধরে না, বরং বিশ্বজুড়ে প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে এর আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি করে।