মালদ্বীপে কর্নাটকের তোতাপুরী ও নীলম আম: কোলার থেকে শুরু হলো প্রথম আকাশপথের চালান

ভারত থেকে ফল রপ্তানি বৃদ্ধিতে নতুন মাইলফলক। কর্নাটকের কোলার জেলা থেকে সরাসরি মালদ্বীপে পাঠানো হলো বিশেষ জাতের তোতাপুরী ও নীলম আম। কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের অধীনে আপেডা (APEDA) এই কার্যক্রমের সূচনা করেছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
01 Aug 2026, 17:31
Updated
01 Aug 2026, 17:31
Reading time
2 min
মালদ্বীপে কর্নাটকের তোতাপুরী ও নীলম আম: কোলার থেকে শুরু হলো প্রথম আকাশপথের চালান
অর্থনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • কর্নাটকের কোলার থেকে প্রথমবার আকাশপথে মালদ্বীপে আম রপ্তানি শুরু হয়েছে।
  • চালানটিতে প্রধানত তোতাপুরী এবং নীলম জাতের আম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
  • রপ্তানি কার্যক্রমটি কেন্দ্রীয় সংস্থা আপেডা (APEDA) দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

ভারত থেকে বিদেশে ফল রপ্তানির ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। কর্নাটকের কোলার জেলা থেকে এই প্রথমবারের মতো আকাশপথে মালদ্বীপে পাঠানো হলো বিশেষ জাতের তোতাপুরী এবং নীলম আম। এর মাধ্যমে দক্ষিণ ভারতের এই বিশেষ জাতের আমগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক বাজারের নতুন দ্বার উন্মোচিত হলো।

কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের অধীনস্থ এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড প্রসেসড ফুড প্রোডাক্টস এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (APEDA) এই রপ্তানি প্রক্রিয়ার তদারকি করছে। সংস্থাটি আমগুলোর গুণমান নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদেশে ভারতীয় কৃষিপণ্যের চাহিদা বৃদ্ধিতে কাজ করছে।

কোলার জেলা ভারতের অন্যতম প্রধান আম উৎপাদনকারী অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। এখান থেকে আকাশপথে সরাসরি বিদেশে আম পাঠানোর ফলে পরিবহনের সময় যেমন কমবে, তেমনি ফলের তাজাতা বজায় থাকবে। মালদ্বীপের পর্যটন নির্ভর বাজারে এই আমের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রপ্তানি প্রক্রিয়ার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা জানান, তোতাপুরী এবং নীলম আমের স্বাতন্ত্র্য এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ উপযোগী বৈশিষ্ট্যের কারণে মালদ্বীপের আমদানিকারকরা এই চালানে বিশেষ আগ্রহ দেখিয়েছেন।

আগামী দিনগুলোতে কর্ণাটকের অন্যান্য কৃষিপণ্যও আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বড় আকারে সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এর ফলে স্থানীয় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের আরও ভালো দাম পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এই উদ্যোগটি মূলত ভারতের কৃষি রপ্তানি নীতিকে শক্তিশালী করার একটি অংশ, যেখানে আঞ্চলিক উৎপাদনের গুণগত মান বৃদ্ধি এবং সরাসরি বৈশ্বিক বাজারে পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।