মাঠের লড়াই ছাপিয়ে সামনে এলো ব্রিটেন ও মেক্সিকোর থমকে যাওয়া দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি

বিশ্বকাপ ফুটবলের দ্বৈরথের আবহে ব্রিটেন ও মেক্সিকোর মধ্যে পুনরায় বাণিজ্য আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ব্রেক্সিট-পরবর্তী স্থবিরতা কাটিয়ে ফার্মাসিউটিক্যালস ও ফিন্যান্স খাতের উন্নয়নে আগ্রহী দুই দেশ।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
06 Jul 2026, 00:45
Updated
06 Jul 2026, 00:45
Reading time
2 min
মাঠের লড়াই ছাপিয়ে সামনে এলো ব্রিটেন ও মেক্সিকোর থমকে যাওয়া দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি
অর্থনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • ২০২৪-এর শেষার্ধে মেক্সিকো ব্রিটেনের সাথে নতুন করে বাণিজ্য আলোচনা শুরু করতে চায়।
  • ফার্মাসিউটিক্যালস ও আর্থিক সেবা খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা মেক্সিকোর।
  • ব্রেক্সিট-পরবর্তী বিদ্যমান বাণিজ্য কাঠামোকে আমূল সংস্কারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড ও মেক্সিকোর মধ্যকার হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের সমান্তরালে দুই দেশের কূটনৈতিক মহলে বইছে ভিন্ন হাওয়া। দীর্ঘকাল ধরে থমকে থাকা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি সচল করতে নতুন করে তৎপরতা শুরু করেছে মেক্সিকো সিটি ও লন্ডন। ব্রেক্সিটের পর পূর্ববর্তী চুক্তির ধারাবাহিকতা বজায় থাকলেও, আধুনিক বিশ্ববাজারের চাহিদা মেটাতে একটি পূর্ণাঙ্গ ও নতুন কাঠামোর অভাব বোধ করছে উভয় পক্ষ।

মেক্সিকোর বাণিজ্য মন্ত্রী লুইস রোসেন্ডো গুতিয়ারেজ রোমানোর সাম্প্রতিক মন্তব্যে এই আলোচনার নতুন মোড় লক্ষ্য করা গেছে। তিনি চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা পুনরায় শুরু করার বা 'রিলঞ্চ' করার ব্যাপারে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। মেক্সিকোর লক্ষ্য কেবল সাধারণ পণ্য বিনিময় নয়, বরং আরও উচ্চতর অর্থনৈতিক খাতের দিকে।

বিশেষ করে ফার্মাসিউটিক্যালস বা ওষুধ শিল্প, আর্থিক সেবা (ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস) এবং উন্নত উৎপাদন বা অ্যাডভান্সড ম্যানুফ্যাকচারিং খাতকে এই নতুন চুক্তির প্রধান স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ইংল্যান্ডের কারিগরি দক্ষতা এবং মেক্সিকোর ক্রমবর্ধমান উৎপাদন সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক জোট গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে।

কূটনৈতিকভাবে দুই দেশই ইতিমধ্যে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রভাবশালী বাণিজ্য ব্লক 'সিপিটিপিপি' (CPTPP)-র সদস্য। তবে ব্রিটেন প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে এই ব্লকে যুক্ত হওয়ার পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন আরও জরুরি হয়ে পড়েছে। যদিও ব্রিটিশ কর্মকর্তারা বলছেন চূড়ান্ত সময়সূচী এখনও নির্ধারিত হয়নি, তবে আলোচনার টেবিল যে দীর্ঘস্থায়ী জট খুলতে প্রস্তুত তা স্পষ্ট।