কেরালার উত্তরাঞ্চলে ট্রেন সংকট: ওনাম উৎসবের আগে চরম ভোগান্তিতে সাধারণ যাত্রীরা

ভারতের কেরালা রাজ্যে আসন্ন ওনাম উৎসবের প্রাক্কালে ট্রেন ও মেমু (MEMU) পরিষেবার ঘাটতিতে যাত্রী দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। বিশেষ করে উত্তর মালাবার ও মধ্য কেরালার সংযোগকারী রুটে ট্রেনের অভাব সাধারণ মানুষের যাতায়াতকে ব্যাহত করছে বলে জানা গেছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
17 Aug 2026, 01:30
Updated
17 Aug 2026, 01:30
Reading time
2 min
কেরালার উত্তরাঞ্চলে ট্রেন সংকট: ওনাম উৎসবের আগে চরম ভোগান্তিতে সাধারণ যাত্রীরা
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • উত্তর মালাবার ও মধ্য কেরালার মধ্যে ট্রেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
  • ওনাম উৎসবের আগে মেমু (MEMU) পরিষেবার অভাবে যাত্রী দুর্ভোগ বাড়ছে।
  • যাত্রী চাপ সামলাতে বিশেষ ট্রেন চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ভারতের কেরালা রাজ্যের উত্তরাঞ্চলে রেল পরিষেবা নিয়ে বড় ধরণের সংকট তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্য কেরালা, পালাক্কাদ এবং উত্তর মালাবার অঞ্চলের মধ্যে পর্যাপ্ত যাত্রীবাহী ট্রেন ও মেমু (MEMU) সার্ভিসের অভাবে সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সামনেই দক্ষিণ ভারতের অন্যতম বড় উৎসব ওনাম। এই উৎসব উপলক্ষে প্রচুর মানুষ নিজ নিজ কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরেন। তবে বর্তমান রেল সংকটের কারণে যাত্রীদের যাতায়াত পরিকল্পনা এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। বিশেষ করে স্বল্প দূরত্বের রুটে প্রয়োজনীয় শাটল ট্রেনের অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, বর্তমান রেল রুটগুলোতে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি যাত্রী যাতায়াত করছেন। ট্রেনের সংখ্যা না বাড়ানোয় বগিগুলোতে তিল ধারণের জায়গা থাকছে না। বিশেষ করে কর্মজীবী এবং শিক্ষার্থীদের প্রতিদিনের যাতায়াত এই পরিস্থিতির কারণে সবচেয়ে বেশি ব্যাহত হচ্ছে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় যাত্রী অধিকার রক্ষায় সোচ্চার বিভিন্ন সংগঠন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, ওনামের মতো বড় উৎসবের আগে অন্তত বিশেষ ট্রেন বা অতিরিক্ত মেমু সার্ভিস চালু করা না হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি সীমা ছাড়িয়ে যাবে।

উত্তরাঞ্চলীয় কেরালায় রেলের এই ঘাটতি দীর্ঘদিনের সমস্যা হলেও উৎসবের মৌসুমে এটি তীব্র আকার ধারণ করেছে। পালাক্কাদ বিভাগের রেল কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী সাধারণ জনতা ও যাত্রীবাহী ট্রেনের নিয়মিত ব্যবহারকারীরা।