ওড়িশায় ভোটার তালিকা সংস্কার: ২০ লাখ নাম বাদ দেওয়ার সরকারি তথ্যে বিজেডির আপত্তি
ওড়িশায় এসআইআর প্রথম ধাপের পর ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়ার তথ্য সামনে এসেছে। তবে ক্ষমতাসীন বিজু জনতা দল (বিজেডি) এই খসড়া রিপোর্টকে চ্যালেঞ্জ করে দাবি করেছে যে প্রকৃত সংখ্যা ২৭ লক্ষের বেশি।

এক নজরে
- ওড়িশায় ভোটার তালিকা সংস্কারের প্রথম ধাপে ২০ লক্ষ নাম বাদ সরকারিভাবে।
- বিজু জনতা দলের দাবি, তালিকা থেকে বাদ পড়া ভোটারের প্রকৃত সংখ্যা ২৭ লক্ষ।
- ভোটার তালিকার এই ব্যাপক রদবদল নিয়ে রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে।
ওড়িশায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার বিশেষ কর্মসূচি বা স্পেশাল ইনভেন্টরি রিভিশন (এসআইআর) এর প্রথম ধাপ সম্পন্ন হওয়ার পর বড় ধরনের পরিবর্তনের চিত্র সামনে এসেছে। সরকারি খসড়া প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, রাজ্যজুড়ে প্রায় ২০ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। মূলত মৃত ভোটার এবং স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত ব্যক্তিদের বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া হিসেবেই এটি দেখা হচ্ছে।
তবে এই খসড়া তালিকার তথ্য নিয়ে তীব্র আপত্তি তুলেছে রাজ্যের প্রধান রাজনৈতিক দল বিজু জনতা দল (বিজেডি)। দলটির দাবি, সরকারি পরিসংখ্যানে বাদ পড়া ভোটারের যে সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে তা সঠিক নয়। বিজেডির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের নিজস্ব পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা অন্তত ২৭ লক্ষ, যা সরকারি উদ্যোগের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটার তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক ভোটারের এই ছাঁটাই আগামী নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দল বিজেডি মনে করছে, প্রকৃত পরিসংখ্যান গোপন করা হলে বা ভুলভাবে নাম বাদ দেওয়া হলে অনেক প্রকৃত ভোটার তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
নির্বাচন কমিশন এবং স্থানীয় প্রশাসন অবশ্য এই অভিযোগের মুখে তাদের তথ্য খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে। এসআইআর প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপগুলোতে এই ত্রুটি সংশোধনের সুযোগ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে প্রশাসন।
