কাবিনি বাঁধে বন্যার সতর্কতা: বিক্ষোভকারীদের পানি প্রবাহে বাধা না দেওয়ার আহ্বান মুখ্যমন্ত্রীর

কর্ণাটকের কাবিনি বাঁধে পানির স্তর দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে কাবিনি নদীর পানি প্রবাহে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি না করতে প্রতিবাদকারীদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
01 Aug 2026, 15:01
Updated
01 Aug 2026, 15:01
Reading time
2 min
কাবিনি বাঁধে বন্যার সতর্কতা: বিক্ষোভকারীদের পানি প্রবাহে বাধা না দেওয়ার আহ্বান মুখ্যমন্ত্রীর
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • কাবিনি বাঁধে ১৫,৫০০ কিউসেক পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে এবং বন্যা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
  • নিরাপত্তার স্বার্থে পানি প্রবাহে বাধা না দিতে বিক্ষোভকারীদের প্রতি কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রীর আহ্বান।
  • ভারী বর্ষণের ফলে বাঁধের ধারণক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

ভারতের কর্ণাটকে দীর্ঘদিনের কাবিনি নদী কেন্দ্রিক পানি বণ্টন বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে। সম্প্রতি ভারী বর্ষণের ফলে কাবিনি জলাধারে পানির প্রবাহ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। বাঁধের নির্বাহী প্রকৌশলী জানিয়েছেন যে, গত ১ আগস্ট পর্যন্ত পানির প্রবাহ ১৫,৫০০ কিউসেকে পৌঁছেছে, যা নিকটবর্তী অঞ্চলগুলোর জন্য বন্যার ঝুঁকি তৈরি করছে।

এমন প্রেক্ষাপটে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী আন্দোলনরত গোষ্ঠীগুলোর প্রতি একটি জরুরি আবেদন জানিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, পানির এই উচ্চ প্রবাহ এখন কোনো রাজনৈতিক বা আঞ্চলিক বিতর্কের বিষয় নয়, বরং এটি একটি প্রাকৃতিক পরিস্থিতি যা যথাযথ ব্যবস্থাপনার দাবি রাখে। তিনি বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকার এবং পানি ছাড়ার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ না করার আহ্বান জানান।

জলাধার কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে বাঁধের ধারণক্ষমতা প্রায় পূর্ণ হওয়ার পথে। অতিরিক্ত পানি ছেড়ে না দিলে বাঁধের কাঠামোগত নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন, এই মুহূর্তে পানি প্রবাহে বাধা দিলে তা কেবল প্রশাসনিক সমস্যাই তৈরি করবে না, বরং জননিরাপত্তাকেও হুমকির মুখে ফেলবে।

কাবিনি ও কাবেরী নদীর পানি বণ্টন নিয়ে কর্ণাটক ও প্রতিবেশী রাজ্যগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। তবে বর্তমান বন্যার পূর্বাভাস এই বিরোধে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাজ্য সরকার বর্তমানে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা সরকারের এই আহ্বানে সাড়া দেয় কি না, তা এখন দেখার বিষয়।