মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের জয়ে বিশাল তহবিল ছাড় করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে নিজের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক তহবিল থেকে লাখ লাখ ডলার ব্যয়ের ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রিপাবলিকান প্রার্থীদের সমর্থন জোগাতে এই বড় পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি।

এক নজরে
- ট্রাম্প তার পিএসি থেকে রিপাবলিকান প্রার্থীদের জন্য বড় অংকের তহবিল অনুমোদন করেছেন।
- কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে প্রচারণায় সশরীরে উপস্থিতিও বাড়াচ্ছেন সাবেক এই প্রেসিডেন্ট।
- জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও ইরান সংকটকে পুঁজি করে ভোটারদের সমর্থন টানার চেষ্টা চলছে।
আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির মাঠ। এই নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের জয় নিশ্চিত করতে এবং কংগ্রেসের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে বড় ধরনের আর্থিক বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, ট্রাম্প তার ব্যক্তিগত পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি (পিএসি) থেকে কয়েক মিলিয়ন ডলার অনুদান দেওয়ার সবুজ সংকেত দিয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ট্রাম্প কেবল দলের প্রার্থীদেরই সহায়তা করছেন না, বরং নিজের রাজনৈতিক প্রভাবকেও সংহত করছেন। রিপাবলিকান পার্টির ভেতরে তার অবস্থান আরও শক্তিশালী করাই এই কৌশলের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে ডেমোক্র্যাটদের সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই তহবিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
তহবিল বরাদ্দের পাশাপাশি নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পের ব্যক্তিগত উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে সভা-সমাবেশ করছেন যাতে তার অনুগত ভোটারদের উজ্জীবিত করা যায়। দলের সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে নিতে এবং দোদুল্যমান ভোটারদের আকৃষ্ট করতে তিনি এখন থেকেই আক্রমণাত্মক প্রচারণা শুরু করেছেন।
বর্তমানে বাইডেন প্রশাসনের অধীনে ক্রমবর্ধমান জ্বালানি তেলের দাম এবং ইরান সংকটের মতো বিষয়গুলো সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্প এই জনরোষকে কাজে লাগিয়ে রিপাবলিকানদের পক্ষে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন। তিনি তার প্রচারণায় বর্তমান প্রশাসনের ব্যর্থতাগুলোকে তুলে ধরে ভোটারদের সামনে বিকল্প পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরছেন।
কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানো বা পাওয়ার ওপর আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অনেক কিছু নির্ভর করছে। তাই ট্রাম্পের এই বিশাল অর্থায়ন এবং রাজনৈতিক তৎপরতা রিপাবলিকান শিবিরের জন্য একটি বড় অক্সিজেন হিসেবে কাজ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ডেমোক্র্যাটরা এই অর্থায়নকে কীভাবে মোকাবিলা করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
