বেল্লারি খনির লিজ পুনর্মূল্যায়নের দাবি তুলে সিইসি-র দ্বারস্থ টপাল গণেশ

বেল্লারি জেলায় খনির ইজারা শ্রেণিবিন্যাস পুনর্বিবেচনার জন্য কেন্দ্রীয় ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটির কাছে আবেদন জানিয়েছেন খনি মালিক টপাল গণেশ। অনিয়মের অভিযোগে সিইসি-র হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 05:02
Updated
02 Aug 2026, 05:01
Reading time
2 min
বেল্লারি খনির লিজ পুনর্মূল্যায়নের দাবি তুলে সিইসি-র দ্বারস্থ টপাল গণেশ
অর্থনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • খনি লিজের শ্রেণিবিন্যাসে অনিয়মের অভিযোগ এনেছেন টপাল গণেশ।
  • সীমানা নির্ধারণের ত্রুটি সংশোধনের জন্য নতুন করে পর্যালোচনার দাবি।
  • সিইসি-র হস্তক্ষেপের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করার আহ্বান।

কর্ণাটকের বেল্লারি জেলায় খনি লিজের শ্রেণিবিন্যাস নিয়ে দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই নতুন মোড় নিয়েছে। বিশিষ্ট খনি মালিক টপাল গণেশ কেন্দ্রীয় ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটির (সিইসি) কাছে আবেদন জানিয়েছেন যাতে খনির ইজারাগুলোর বর্তমান বিভাগগুলো নতুন করে পর্যালোচনা করা হয়।

গণেশের অভিযোগ যে, পূর্বে যখন খনিগুলোকে 'এ', 'বি' এবং 'সি' বিভাগে ভাগ করা হয়েছিল, তখন কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও তথ্য উপেক্ষা করা হয়েছিল। তিনি দাবি করেছেন যে বেশ কিছু খনি যারা অবৈধ খননে লিপ্ত ছিল, তারা নথিপত্রের মারপ্যাঁচে কঠোর শাস্তির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক নিযুক্ত সিইসি পূর্বে খনিগুলোকে তাদের পরিবেশগত লঙ্ঘনের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করেছিল। 'সি' ক্যাটাগরির খনিগুলোর লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছিল, যেখানে 'এ' ও 'বি' ক্যাটাগরিকে কিছু শর্তসাপেক্ষে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

টপাল গণেশ বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন যে সীমানা নির্ধারণে ত্রুটি থাকার কারণে অনেক কোম্পানি অন্যায় সুবিধা লাভ করেছে। তিনি নতুন করে ডিজিটাল সমীক্ষা ও বর্তমান বাস্তবতার ভিত্তিতে ইজারাগুলোর পুনর্মূল্যায়ন দাবি করেছেন যাতে প্রকৃত অপরাধীরা বিচারের আওতায় আসে।

এই আবেদনটি এমন এক সময়ে এসেছে যখন কর্ণাটকের খনি শিল্পে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। যদি সিইসি এই আবেদন গ্রহণ করে, তবে বেল্লারির খনি লিজের বর্তমান স্থিতাবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।