বাংলাদেশ আজকাল — Bangladesh Ajkal

ইরানের ওপর হামলা বাতিল করলেন ট্রাম্প: দ্রুত চুক্তির আহ্বান মার্কিন প্রেসিডেন্টের

ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের সাথে দ্রুত কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর শর্তে তিনি এই সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দেন।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 09:00
Updated
02 Aug 2026, 09:00
Reading time
2 min
ইরানের ওপর হামলা বাতিল করলেন ট্রাম্প: দ্রুত চুক্তির আহ্বান মার্কিন প্রেসিডেন্টের
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • ইরানের ওপর সম্ভাব্য মার্কিন হামলা আপাতত স্থগিত ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প।
  • দ্রুত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর শর্তেই এই সামরিক অভিযান বাতিল করা হয়েছে।
  • মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে হোয়াইট হাউস।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার পারদ নতুন করে উচ্চতায় পৌঁছেছে। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যমে খবর চাউর হয়েছিল যে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সপ্তাহান্তেই ইরানের ওপর ভয়াবহ আকাশ হামলার নির্দেশ দিতে পারেন। তবে শেষ মুহূর্তে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক বার্তায় জানিয়েছেন যে, তিনি এই হামলার পরিকল্পনা বাতিল করেছেন।

ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল শর্ত হিসেবে উঠে এসেছে একটি 'দ্রুত চুক্তির' প্রয়োজনীয়তা। হোয়াইট হাউস মনে করছে, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে আলোচনার মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক বা আঞ্চলিক ইস্যুগুলোর সমাধান করা বেশি ফলপ্রসূ হতে পারে। তবে ট্রাম্পের এই বার্তা ইরানকে পরোক্ষভাবে একটি সময়সীমা বা আল্টিমেটামও প্রদান করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এর আগে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ইরানের বিরুদ্ধে নানা উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ আনা হয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় পেন্টাগন বিভিন্ন প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছিল। কিন্তু ট্রাম্পের আকস্মিক এই সুর পরিবর্তনের ফলে ওই অঞ্চলে আপাতত বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা কিছুটা প্রশমিত হয়েছে।

যদিও এই স্থিতিশীলতা কতক্ষণ স্থায়ী হবে তা নির্ভর করছে তেহরানের প্রতিক্রিয়ার ওপর। মার্কিন প্রশাসন চাচ্ছে ইরান যেন অবিলম্বে তাদের শর্ত মেনে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসে। অন্যথায়, স্থগিত করা হামলা পুনরায় কার্যকর হওয়ার হুমকিও অদৃশ্য থাকেনি। বিশ্ববাজার এবং তেলের দামের ওপর এই অস্থিরতার প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

সামগ্রিকভাবে, ট্রাম্পের এই কৌশলকে 'চাপ প্রয়োগের কূটনীতি' হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। একদিকে তিনি সামরিক শক্তির ভয় দেখাচ্ছেন, অন্যদিকে আলোচনার দ্বার উন্মুক্ত রাখার দাবি করছেন। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে এই নতুন মোড় পুরো অঞ্চলের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলবে।