সিরিয়ায় অন্তর্র্বতীকালীন পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন বিনা ব্যাখ্যায় স্থগিত

সিরিয়ার রাজনৈতিক পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় ধাক্কা লেগেছে। ৩০ মাস মেয়াদী অন্তর্র্বতীকালীন পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন কোনো কারণ না দর্শিয়েই অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
06 Jul 2026, 00:15
Updated
06 Jul 2026, 00:15
Reading time
2 min
সিরিয়ায় অন্তর্র্বতীকালীন পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন বিনা ব্যাখ্যায় স্থগিত
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • সিরিয়ার ৩০ মাস মেয়াদী অন্তর্র্বতীকালীন পার্লামেন্টের প্রথম সেশন স্থগিত।
  • স্থগিতাদেশের পেছনে কোনো নির্দিষ্ট কারণ বা ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়নি।
  • নতুন নির্বাচনী আইন প্রণয়নই ছিল এই নতুন পরিষদের মূল কাজ।

সিরিয়ার ক্ষমতার পালাবদল এবং গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে এক অপ্রত্যাশিত বাধা সৃষ্টি হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী নতুন গঠিত অন্তর্র্বতীকালীন পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন বসার কথা থাকলেও, শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত ঘোষণা করা হয়। সরকারি বা প্রশাসনিক কোনো সূত্র থেকেই এই বিলম্বের কারণ স্পষ্ট করা হয়নি।

এই অন্তর্র্বতীকালীন পরিষদের প্রধান লক্ষ্য হলো একটি বিস্তৃত এবং আধুনিক নির্বাচনী আইন প্রণয়ন করা। ৩০ মাস মেয়াদের এই পার্লামেন্ট সিরিয়ার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কাঠামো নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছিল। অধিবেশন স্থগিত হওয়ার ফলে এই রূপরেখা বাস্তবায়নে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সমঝোতার অভাব অথবা প্রশাসনিক জটিলতা এই বিলম্বের কারণ হতে পারে। গৃহযুদ্ধ পরবর্তী সিরিয়ায় শান্তি ফেরাতে এই পার্লামেন্টকে একটি মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও সিরিয়ার এই উত্তরণ প্রক্রিয়ার ওপর গভীর দৃষ্টি রাখছে।

বিগত কয়েক বছরের অস্থিরতা কাটিয়ে সিরিয়ার জনগণের জন্য একটি অংশগ্রহণমূলক সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তবে এই ধরণের বিলম্ব সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে। পরবর্তী অধিবেশন কবে নাগাদ অনুষ্ঠিত হতে পারে সে সম্পর্কে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি।