রাশিয়ার সামারা অঞ্চলে ইউক্রেনের বিমান ঘাঁটি ও রকেট কারখানায় ড্রোন হামলা

রাশিয়ার অভ্যন্তরে হামলা জোরদার করেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। শনিবার সামারা অঞ্চলের একটি রকেট তৈরির কারখানা এবং একটি বিমান ঘাঁটিতে সফল আঘাত হানার দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
15 Aug 2026, 18:01
Updated
15 Aug 2026, 18:01
Reading time
2 min
রাশিয়ার সামারা অঞ্চলে ইউক্রেনের বিমান ঘাঁটি ও রকেট কারখানায় ড্রোন হামলা
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • রাশিয়ার সামারা অঞ্চলে রকেট কারখানা এবং বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইউক্রেনের হামলা।
  • প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি হামলার সত্যতা নিশ্চিত করে সামরিক লক্ষ্যবস্তুর গুরুত্ব উল্লেখ করেছেন।
  • সীমান্ত থেকে কয়েকশ কিলোমিটার দূরে রাশিয়ার শিল্প অবকাঠামোয় ইউক্রেনীয় ড্রোনের অনুপ্রবেশ।

ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী রাশিয়ার কৌশলগত অবকাঠামো লক্ষ্য করে নতুন করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। শনিবার রাশিয়ার সামারা অঞ্চলে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ রকেট তৈরির কারখানা এবং সামরিক বিমান ঘাঁটিতে এই হামলা চালানো হয় বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং ইউক্রেনীয় প্রশাসন।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক বিবৃতিতে এই অভিযানের কথা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতা কমিয়ে আনার লক্ষ্যেই এই সুদূরপ্রসারী হামলা চালানো হয়েছে। সামারা অঞ্চলটি যুদ্ধক্ষেত্রের সামনের সারির থেকে বেশ দূরে অবস্থিত হলেও, ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো সাফল্যের সাথে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

রাশিয়ার স্থানীয় গভর্নর জানিয়েছেন, হামলার ফলে শিল্প অবকাঠামোর কিছু ক্ষতি হয়েছে। তবে তিনি বিস্তারিত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রকাশ করেননি। ইউক্রেনীয় সূত্রগুলো দাবি করেছে যে, যে রকেট কারখানায় হামলা হয়েছে সেটি রুশ বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেন ধারাবাহিকভাবে রাশিয়ার অভ্যন্তরে জ্বালানি ডিপো, অস্ত্রাগার এবং সামরিক বিমান ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে। ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মতে, রাশিয়ার রসদ সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করাই এই বিশেষ অভিযানের মূল লক্ষ্য।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, সামারার মতো গভীর ভূখণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলে হামলা করার সক্ষমতা ইউক্রেনের ক্রমবর্ধমান ড্রোন প্রযুক্তির পরিচয় দেয়। এটি ক্রেমলিনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতাকেও নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

এই হামলার প্রেক্ষিতে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এখনও আনুষ্ঠানিক পূর্ণাঙ্গ বিবৃতি দেয়নি। তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সাথে সাথে দুই দেশের সীমান্ত পেরিয়ে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা গোটা অঞ্চলে উত্তেজনা বজায় রেখেছে।