ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের জোড়া আঘাত, আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দারা
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ায় পর পর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে ৭.৭ মাত্রার একটি বড় ভূমিকম্পের পর আরেকটি জোরালো কম্পন অনুভূত হওয়ায় জনমনে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

এক নজরে
- ইন্দোনেশিয়ায় রিখটার স্কেলে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
- প্রথম কম্পনের কিছুক্ষণ পরই আরেকটি শক্তিশালী আফটারশক আঘাত হানে।
- উপকূলীয় অঞ্চলে সতর্কতা জারি করা হলেও তাৎক্ষণিক বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি।
ইন্দোনেশিয়ার ভূখণ্ডে আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত হানা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ৭.৭ মাত্রার এক শক্তিশালী কম্পনের কিছুক্ষণ পরেই দেশটিতে দ্বিতীয়বার বড় ধরনের কম্পন অনুভূত হয়। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অগ্নিবলয়ে (Ring of Fire) অবস্থানের কারণে ইন্দোনেশিয়া নিয়মিতভাবে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের সম্মুখীন হয়।
এবারের কম্পনের কেন্দ্রস্থল এবং গভীরতা নিয়ে স্থানীয় ভূ-তাত্ত্বিক বিভাগ কাজ করছে। প্রাথমিক খবরে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর না পাওয়া গেলেও উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের মধ্যে সুনামির আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় প্রশাসন দুর্যোগ কবলিত এলাকার বাসিন্দাদের উঁচু স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, কম্পনের সময় ঘরবাড়ি ও বৈদ্যুতিক খুঁটি প্রচণ্ডভাবে দুলতে শুরু করে। আতঙ্কে লোকজন ঘরের বাইরে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (BNPB) বর্তমানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করছে এবং উদ্ধারকারী দলগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার এই ভূমিকম্পের প্রভাব প্রতিবেশী দেশগুলোতেও অনুভূত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে উপকূলীয় দ্বীপগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সরকার সমুদ্র তীরবর্তী পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে সতর্কতা জারি করেছে এবং পরবর্তী কয়েক ঘণ্টা বিশেষ নজরদারিতে থাকতে বলা হয়েছে।
