ইউক্রেনের কস্ত্যন্তিনিভকা দখল নিয়ে মস্কোর দাবি এবং কিয়েভের অস্বীকৃতি
ডোনেটস্ক অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ শহর কস্ত্যন্তিনিভকা দখলের দাবি করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

এক নজরে
- কস্ত্যন্তিনিভকা শহর দখলের দাবি করেছে রুশ সামরিক বাহিনী।
- ইউক্রেন এই দাবি অস্বীকার করে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে।
- স্থানীয় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবনা নিয়ে পারস্পরিক দোষারোপ অব্যাহত রয়েছে।
রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে নতুন মোড় নিয়েছে ডোনেটস্ক অঞ্চলের প্রধান শহর কস্ত্যন্তিনিভকার দখলকে কেন্দ্র করে। মস্কো দাবি করেছে যে তাদের বাহিনী শহরটিতে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে, যাকে তারা এই অঞ্চলের সামরিক অগ্রগতির একটি মাইলফলক হিসেবে দেখছে।
যদিও রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের বিজয়ের কথা প্রচার করছে, ইউক্রেনীয় সামরিক কমান্ড এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে। কিয়েভ জানিয়েছে, শহরটির নিয়ন্ত্রণ এখনো তাদের হাতে রয়েছে এবং সেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে। সংঘাতপূর্ণ এলাকা থেকে আসা প্রাথমিক সংবাদগুলোতে ভিন্নরূপ চিত্র ফুটে উঠছে।
রাশিয়া অভিযোগ করেছে যে একটি ও স্থানীয় যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব করা হলেও ইউক্রেন তা প্রত্যাখ্যান করেছে। মস্কোর মতে, বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তার খাতিরে তারা সাময়িক বিরতি চেয়েছিল। অন্যদিকে, ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা মনে করছেন এটি রুশ বাহিনীর একটি কৌশলগত চাল, যার উদ্দেশ্য তাদের শক্তি পুনর্গঠন করা।
কস্ত্যন্তিনিভকার নিয়ন্ত্রণ দুই পক্ষের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি এই অঞ্চলের রসদ সরবরাহের একটি অন্যতম সংযোগস্থল। শহরটির পতন হলে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলে সামরিক বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন।
আন্তর্জাতিক মহল এই পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে। যুদ্ধের বর্তমান গতিপ্রকৃতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে কোনো পক্ষই সহজে ছাড় দিতে রাজি নয়। কস্ত্যন্তিনিভকা নিয়ে এই দুই ধরনের বক্তব্য যুদ্ধের ময়দানে বিরাজমান ধোঁয়াশা ও মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ের বহিঃপ্রকাশ।
