ডেস্টিনেশন ত্রিপুরা ২০২৬: শিল্পায়নে নতুন দিগন্তের আশায় মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা
ত্রিপুরাকে বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ২০২৬ সালের বিজনেস কনক্লেভকে কেন্দ্র করে আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী ও শিল্পমহল।

এক নজরে
- ২০২৬ সালের বিজনেস কনক্লেভ নিয়ে আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা।
- কৃষি, আইটি এবং পর্যটন খাতে বড় বিনিয়োগের সম্ভাবনা।
- দক্ষিণ এশিয়ায় ত্রিপুরার ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে শিল্পায়নের লক্ষ্য।
ত্রিপুরা রাজ্যের অর্থনৈতিক মানচিত্র বদলে দিতে সরকার 'ডেস্টিনেশন ত্রিপুরা বিজনেস কনক্লেভ ২০২৬'-এর ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী ড. মানিক সাহা আগরতলায় এক প্রস্তুতি সভায় এই মেগা ইভেন্ট নিয়ে তার উচ্চাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, রাজ্যের প্রগতি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে বড় বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করাই এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।
রাজ্য সরকার মূলত কৃষি-ভিত্তিক শিল্প, আইটি, পর্যটন এবং রাবার শিল্পের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। গত কয়েক বছরে ত্রিপুরার অবকাঠামোগত উন্নয়ন বিশেষ করে বাংলাদেশ ও প্রতিবেশী রাজ্যগুলোর সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির ফলে এখানে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিশ্বাস করেন যে ২০২৬ সালের এই সম্মেলন ত্রিপুরার ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় যোগ করবে।
শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের আধিকারিকদের সাথে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন যাতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে দ্রুত লাইসেন্স প্রদানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। 'ইজ অফ ডুইং বিজনেস' বা ব্যবসা সহজীকরণ সূচকে ত্রিপুরাকে শীর্ষে নিয়ে যাওয়াই এখন প্রশাসনের অন্যতম লক্ষ্য।
সম্মেলনে অংশ নিতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন শিল্প গোষ্ঠীকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। ত্রিপুরার প্রাকৃতিক সম্পদ এবং দক্ষিণ এশিয়ার প্রবেশদ্বার হিসেবে এর ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পথ প্রশস্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পর্যটন ও হস্তশিল্পের বিকাশেও এই কনক্লেভ বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
