বিশাখাপত্তনম জেলা প্রশাসকের বিশেষ উদ্যোগ: সরাসরি নাগরিকদের সাথে অভিযোগের সুরাহা যাচাই

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম জেলা প্রশাসক এম. এন. হরেনধিরা প্রসাদ জনঅভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সরাসরি আবেদনকারীদের সাথে কথা বলেছেন। সরকারি পরিষেবার মান উন্নয়নে এটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
18 Aug 2026, 00:45
Updated
18 Aug 2026, 00:45
Reading time
2 min
বিশাখাপত্তনম জেলা প্রশাসকের বিশেষ উদ্যোগ: সরাসরি নাগরিকদের সাথে অভিযোগের সুরাহা যাচাই
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • জেলা প্রশাসক এম. এন. হরেনধিরা প্রসাদ ব্যক্তিগতভাবে অভিযোগকারীদের সাথে কথা বলেছেন।
  • সরকারি অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।
  • অভিযোগ কেবল নথিপত্রে নয়, বাস্তবে সমাধান হয়েছে কি না তা যাচাই করা হচ্ছে।

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে জনসেবা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন জেলা প্রশাসক এম. এন. হরেনধিরা প্রসাদ। সম্প্রতি তিনি সরাসরি সাধারণ নাগরিকদের সাথে যোগাযোগ করেন যারা বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন। দ্য হিন্দু-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো অভিযোগগুলো প্রকৃত অর্থে নিষ্পত্তি হয়েছে কি না তা ব্যক্তিগতভাবে যাচাই করা।

জেলা প্রশাসক দপ্তরের নিয়মিত অভিযোগ প্রতিকার দিবস উপলক্ষে তিনি বেশ কয়েকজন আবেদনকারীকে ফোন করেন। তিনি জানতে চান যে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো তাদের সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে কি না। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন।

নাগরিকদের সাথে কথোপকথনের সময় তিনি ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ, পেনশন সমস্যা এবং পৌর পরিষেবা বিষয়ক অভিযোগগুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। তিনি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন কোনো অভিযোগ কেবল নথিপত্রে নিষ্পত্তি না দেখিয়ে বাস্তবে তার সুফল নাগরিকের কাছে পৌঁছানো হয়।

প্রশাসনিক এই নজরদারি স্থানীয় জনগণের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসক স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, জনদুর্ভোগ কমাতে এবং অভিযোগ নিষ্পত্তিতে অবহেলা দেখালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নিয়মিতভাবে এই ধরনের তদারকি অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।