মিশিগান সিনেট নির্বাচনে ড. আব্দুল আল-সায়েদকে ঘিরে আরব-আমেরিকানদের প্রত্যাশা

মিশিগানে আসন্ন সিনেট নির্বাচনে প্রগতিশীল প্রার্থী ড. আব্দুল আল-সায়েদের প্রচারণাকে কেন্দ্র করে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অভ্যন্তরীণ বিভক্তি প্রকট হয়েছে। ইসরায়েল ইস্যুকে কেন্দ্র করে লবিস্ট গ্রুপ এআইপিএস-এর ব্যাপক বিরোধিতা সত্ত্বেও ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যে লড়ছেন এই আরব-আমেরিকান নেতা।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 05:45
Updated
02 Aug 2026, 05:45
Reading time
2 min
মিশিগান সিনেট নির্বাচনে ড. আব্দুল আল-সায়েদকে ঘিরে আরব-আমেরিকানদের প্রত্যাশা
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • মিশিগান সিনেট নির্বাচনে প্রথম মুসলিম আরব-আমেরিকান হিসেবে লড়ছেন আব্দুল আল-সায়েদ।
  • ইসরায়েলপন্থী লবিস্ট গ্রুপ এআইপিএসি (AIPAC) তার বিরুদ্ধে বিশাল অংকের অর্থ ব্যয় করছে।
  • গাজা যুদ্ধ ও মার্কিন পররাষ্ট্র নীতি নিয়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অভ্যন্তরীণ সংকট ঘনীভূত হচ্ছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের আসন্ন সিনেট নির্বাচন এখন জাতীয় রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রে। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রগতিশীল প্রার্থী ড. আব্দুল আল-সায়েদ এই নির্বাচনে এক ঐতিহাসিক জয়ের পথে এগিয়ে যাচ্ছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। জয়ী হলে তিনি হবেন মার্কিন সিনেটে প্রথম আরব-আমেরিকান মুসলিম সদস্যদের একজন, যা মিশিগানের বিশাল আরব জনগোষ্ঠীর জন্য একটি বড় মাইলফলক।

তবে আল-সায়েদের এই পথ মসৃণ নয়। ইসরায়েলপন্থী শক্তিশালী লবিস্ট গ্রুপ আমেরিকান ইসরায়েল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি (AIPAC) তার বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচারণায় নেমেছে। গাজা ইস্যু এবং ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন নীতির কঠোর সমালোচক হওয়ায় আল-সায়েদকে ঠেকাতে এই গোষ্ঠীটি মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার খরচ করছে বলে জানা গেছে।

মিশিগানের ডেমোক্র্যাটিক ভোটারদের মধ্যে এখন স্পষ্ট বিভাজন দেখা যাচ্ছে। একদিকে প্রগতিশীল তরুণ এবং আরব-আমেরিকান ভোটাররা আল-সায়েদের স্বাস্থ্যসেবা ও পররাষ্ট্র নীতির সংস্কারকে সমর্থন করছেন। অন্যদিকে, দলের রক্ষণশীল অংশটি ইসরায়েল-সম্পর্কিত জটিল সমীকরণে কিছুটা সতর্ক অবস্থান নিচ্ছে।

এই নির্বাচন কেবল একটি আসনের লড়াই নয়, বরং এটি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভবিষ্যৎ আদর্শিক অভিমুখ নির্ধারণের পরীক্ষা। আল-সায়েদের প্রচারণা শিবির মনে করছে, বাইরের অর্থায়ন এবং নেতিবাচক বিজ্ঞাপন সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের সমর্থন তাদের পক্ষেই থাকবে। শেষ পর্যন্ত ব্যালট বাক্সে কোন পক্ষ জয়ী হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে গোটা আমেরিকা।