মস্কোর রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ বোমা হামলা: নারী আত্মঘাতীসহ নিহত ৩, আহত ২০ জনের বেশি

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর কেন্দ্রস্থলে একটি ব্যস্ত রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক নারী আত্মঘাতী হামলাকারীসহ অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন এবং ২০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 11:46
Updated
02 Aug 2026, 11:46
Reading time
2 min
মস্কোর রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ বোমা হামলা: নারী আত্মঘাতীসহ নিহত ৩, আহত ২০ জনের বেশি
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • মস্কোর কেন্দ্রীয় অঞ্চলের একটি রেস্তোরাঁয় শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে।
  • নিহতদের মধ্যে একজন নারী আত্মঘাতী হামলাকারী রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
  • আহত ২০ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর প্রাণকেন্দ্রে একটি জনাকীর্ণ রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণে অন্তত তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন। সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, নিহতদের মধ্যে একজন নারী আত্মঘাতী হামলাকারী রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যিনি রেস্তোরাঁটির প্রবেশদ্বারের কাছে বিস্ফোরণটি ঘটান।

বিস্ফোরণের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে আশেপাশের ভবনগুলোর জানালার কাঁচ ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে এবং রাস্তায় থাকা বেশ কিছু যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, দুপুরের খাবারের সময় যখন রেস্তোরাঁটিতে মানুষের আনাগোনা বেশি ছিল, তখনই এই হামলাটি চালানো হয়।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, এই ঘটনায় ২০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে শহরের বিভিন্ন বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং জরুরি সেবা সংস্থাগুলো ঘটনাস্থলে উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

রাশিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী এলাকাটি ঘিরে রেখেছে এবং সন্ত্রাসবাদ বিরোধী তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে একে একটি পরিকল্পিত আত্মঘাতী হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।

মস্কোর মেয়র এই ঘটনাকে একটি মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সব ধরণের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। হামলার পর শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে মস্কোর মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরে এমন প্রকাশ্য হামলা রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এখন হামলাকারীর পরিচয় এবং তার সাথে কোনো আন্তর্জাতিক বা স্থানীয় উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সংযোগ আছে কি না তা খতিয়ে দেখছে।