সরকারি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ: অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ নিগমের কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

কর্ণাটকের অনগ্রসর শ্রেণি উন্নয়ন নিগমের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে সরকারি কল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
01 Aug 2026, 20:46
Updated
01 Aug 2026, 20:46
Reading time
2 min
সরকারি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ: অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ নিগমের কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • সরকারি তহবিল অপব্যবহারের অভিযোগে নিগম কর্মকর্তা বরখাস্ত।
  • সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাব ও নথি জালিয়াতির প্রমাণ।
  • বিভাগীয় তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কঠোর প্রশাসনিক নজরদারিতে অভিযুক্ত।

কর্ণাটক রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনগ্রসর শ্রেণি উন্নয়ন নিগমের একজন সিনিয়র কর্মকর্তাকে তাঁর দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মূলত সরকারি বিভিন্ন সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গুরুতর আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ মেলায় এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে যে, নির্দিষ্ট কিছু স্কিমের সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাব ছিল এবং নথিপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি তহবিলের অপব্যবহার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় তদন্তে দেখা গেছে, ওই কর্মকর্তা তার পদের অপব্যবহার করে প্রকৃত যোগ্যদের বাদ দিয়ে অননুমোদিত ব্যক্তিদের সুবিধা পাইয়ে দিয়েছিলেন।

উক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলাকালীন তাকে সদর দপ্তরে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি কোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, জনগণের করের টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি ছিল।

বিগত কয়েক মাসে অনগ্রসর শ্রেণির জন্য বরাদ্দকৃত ঋণের বন্টন এবং ভর্তুকি প্রদানের ক্ষেত্রে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল। এরপরই উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দল গঠন করা হয়। তদন্তে প্রাথমিক অসঙ্গতি ধরা পড়ার পরপরই এই বরখাস্তের নির্দেশ জারি করা হয়।

কর্ণাটক সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, সমাজকল্যাণমূলক প্রকল্পে যে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা ধীরগতি বরদাস্ত করা হবে না। ভবিষ্যতে এই ধরণের ঘটনা রোধে ডিজিটাল মনিটরিং এবং সরাসরি ব্যাংক স্থানান্তরের (DBT) ওপর আরও জোর দেওয়া হচ্ছে।