ঝাড়খণ্ডে কয়লা চুরি রুখতে কড়া পদক্ষেপ: সিআইএসএফকে অমিত শাহের বিশেষ নির্দেশ

ঝাড়খণ্ডে অবৈধ খনির কার্যক্রম ও কয়লা পাচার বন্ধে ‘জিরো কোল লিকেজ’ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সিআইএসএফ এবং কয়লা মন্ত্রককে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
06 Jul 2026, 03:01
Updated
06 Jul 2026, 03:01
Reading time
2 min
ঝাড়খণ্ডে কয়লা চুরি রুখতে কড়া পদক্ষেপ: সিআইএসএফকে অমিত শাহের বিশেষ নির্দেশ
অর্থনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • ঝাড়খণ্ডে কয়লা পাচার রুখতে 'জিরো কোল লিকেজ' পরিকল্পনা ঘোষণা।
  • দ্রুত সাড়া দিতে খনি এলাকায় গঠন করা হচ্ছে বিশেষ র‍্যাপিড রেসপন্স টিম।
  • সরাসরি মামলা ও সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা পাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী।

ভারতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঝাড়খণ্ডের কয়লা খনিগুলোতে অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সম্প্রতি সিআইএসএফ (CISF) এবং কয়লা মন্ত্রককে একটি সুসংগত 'জিরো কোল লিকেজ' বা শূন্য কয়লা পাচার পরিকল্পনা কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্রের নেটওয়ার্ক ধ্বংস করা।

নতুন এই নির্দেশনার অধীনে, ঝাড়খণ্ডের স্পর্শকাতর খনি অঞ্চলগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে। বিশেষ করে যে এলাকাগুলো কয়লা চুরির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত, সেখানে ত্রি-স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে নিরাপত্তা বাহিনীগুলো এখন থেকে চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারবে।

তৎপরতা বাড়াতে বিশেষ 'র‍্যাপিড রেসপন্স টিম' গঠন করা হচ্ছে। এই দলগুলো শুধুমাত্র শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা নয়, বরং সরাসরি মামলা দায়ের, তল্লাশি অভিযান চালানো এবং অবৈধভাবে উত্তোলিত কয়লাসহ পাচারে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা পাবে। এর আগে আইনি জটিলতার কারণে নিরাপত্তা বাহিনী অনেক সময় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারত না, যা এখন নিরসন করা হয়েছে।

অমিত শাহ জোর দিয়ে বলেছেন যে, এই প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের শিথিলতা সহ্য করা হবে না। কাজের অগ্রগতি যাচাই করতে নিয়মিত বিরতিতে উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। কয়লা উৎপাদনকারী সংস্থা এবং কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে একটি বিশেষ ফ্রেমওয়ার্ক তৈরির ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন। সরকারের এই পদক্ষেপ ঝাড়খণ্ডের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।