সিএপিএফ আইনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে ৩,০০০ কর্মকর্তার চ্যালেঞ্জ: নেতৃত্ব নিয়ে নতুন সংকট

ভারতের আধাসামরিক বাহিনীর পদোন্নতি ও শীর্ষ পদে আইপিএস কর্মকর্তাদের আধিপত্যের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই শুরু করেছেন তিন হাজারেরও বেশি দায়িত্বরত কর্মকর্তা, যাদের মধ্যে রয়েছেন বীরত্ব পুরস্কারপ্রাপ্ত এবং নারী সদস্যরাও।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 05:00
Updated
02 Aug 2026, 05:00
Reading time
2 min
সিএপিএফ আইনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে ৩,০০০ কর্মকর্তার চ্যালেঞ্জ: নেতৃত্ব নিয়ে নতুন সংকট
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • ৩,০০০ এর বেশি সিএপিএফ কর্মকর্তা নতুন আইনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দায়ের করেছেন।
  • আবেদনকারীদের মধ্যে অনেক বীরত্ব পদকপ্রাপ্ত ও নারী কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
  • শীর্ষ পদে আইপিএস কর্মকর্তাদের ডেপুটেশন ও পদোন্নতির বৈষম্যকে মূল অভিযোগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (সিএপিএফ) অভ্যন্তরে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ এবার বিচার বিভাগীয় চ্যালেঞ্জের রূপ নিয়েছে। সাম্প্রতিক সিএপিএফ আইনের বিরুদ্ধে দেশটির সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ৩,০০০-এর বেশি কর্মরত কর্মকর্তা। আবেদনকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী কর্মকর্তা এবং সাহসিকতার জন্য বীরত্ব পদকপ্রাপ্ত সদস্য রয়েছেন, যা এই আইনি পদক্ষেপকে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেছে।

আবেদনকারীদের প্রধান অভিযোগ হলো, নতুন আইনটি বাহিনীর নিজস্ব ক্যাডার কর্মকর্তাদের পদোন্নতির পথ সংকুচিত করে দিচ্ছে। তাদের দাবি, এই আইনের ফলে বাহিনীর অভ্যন্তরীণ মেধাবী কর্মকর্তাদের পরিবর্তে ভারতীয় পুলিশ সার্ভিসের (আইপিএস) কর্মকর্তাদের ডেপুটেশনের মাধ্যমে শীর্ষ পদে বসানোর সুযোগ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে নিজস্ব বাহিনীর কর্মকর্তাদের পেশাগত অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে।

আবেদনকারী কর্মকর্তারা মনে করেন, বছরের পর বছর প্রতিকূল পরিবেশে দায়িত্ব পালন করার পর যখন উচ্চপদে আসীন হওয়ার সময় আসে, তখন বাইরের ক্যাডারদের প্রাধান্য দেওয়া বাহিনীর মনোবলকে দুর্বল করে দেয়। আইনি লড়াইয়ে তারা এই বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার সংস্কার এবং সিএপিএফ-এর নিজস্ব কর্মকর্তাদের জন্য ন্যায্য ক্যারিয়ার গ্রাফের দাবি জানিয়েছেন।

ভারতের সর্বোচ্চ আদালত এই আবেদনের শুনানি গ্রহণ করলে তা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কাঠামোর ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। একদিকে আইপিএস কর্মকর্তাদের দীর্ঘদিনের আধিপত্য বজায় রাখার প্রশাসনিক যুক্তি, আর অন্যদিকে সিএপিএফ ক্যাডারদের ন্যায্য অধিকারের দাবি—এই দ্বন্দ এখন আইনি মীমাংসার অপেক্ষায়।