দুর্নীতির অভিযোগে পাঁচ শীর্ষ রেল কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর প্রদানের সুপারিশ

রেলওয়ে বোর্ড প্রশাসনিক শুদ্ধি অভিযানের অংশ হিসেবে পাঁচজন গ্রুপ-এ কর্মকর্তাকে অকালে অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্বচ্ছতা ও দক্ষতা নিশ্চিত করতে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 07:01
Updated
02 Aug 2026, 07:01
Reading time
2 min
দুর্নীতির অভিযোগে পাঁচ শীর্ষ রেল কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর প্রদানের সুপারিশ
অর্থনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • পাঁচজন গ্রুপ-এ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরের আওতায় আনা হয়েছে।
  • অভিযুক্তদের মধ্যে দুইজন সিনিয়র এবং তিনজন জুনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা।
  • দুর্নীতি ও অদক্ষতা রোধে ইন্ডিয়ান রেলওয়ে এস্টাবলিশমেন্ট কোডের প্রয়োগ।

ভারতীয় রেলওয়ে প্রশাসনে স্বচ্ছতা ফেরাতে এবং অদক্ষতা দূর করতে বড় ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে রেলওয়ে বোর্ড। সাম্প্রতিক এক পর্যালোচনায় কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পাঁচজন উচ্চপদস্থ গ্রুপ-এ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলকভাবে অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা এবং সততার মাপকাঠি বিচার করে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এই তালিকায় দুইজন সিনিয়র অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ গ্রেড এবং তিনজন জুনিয়র অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ গ্রেডের কর্মকর্তা রয়েছেন। রেলওয়ের অভ্যন্তরীণ নীতি অনুযায়ী, যারা সেবার মানে আপস করেছেন কিংবা যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেই এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইন্ডিয়ান রেলওয়ে এস্টাবলিশমেন্ট কোডের বিশেষ ধারা ব্যবহার করে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

রেলওয়ে বোর্ডের প্যানেলগুলো নিয়মিতভাবে কর্মকর্তাদের নথিপত্র পর্যালোচনা করে থাকে। এই প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো কর্মক্ষেত্রে দায়বদ্ধতা বাড়ানো এবং প্রশাসনিক স্তরে কোনো ধরণের স্থবিরতা বা অনৈতিকতা প্রশ্রয় না দেওয়া। রেল কর্তৃপক্ষের মতে, জনস্বার্থে এবং বিভাগের গতিশীলতা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত অনিবার্য ছিল।

উল্লেখ্য যে, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ২০২২ সালেও একই ধরণের অভিযানে প্রায় ৩২ জন কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের এই কঠোর অবস্থান পরিষ্কার বার্তা দিচ্ছে যে, প্রশাসনে সততা এবং দক্ষতার অভাব কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। বর্তমান পদক্ষেপটি রেলওয়ের দীর্ঘমেয়াদী সংস্কারের একটি অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।