২০৪৭ সালের মধ্যে ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করল কর্ণাটক
ভারতের কর্ণাটক রাজ্য সরকার একটি উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, যার লক্ষ্য ২০৪৭ সালের মধ্যে রাজ্যের অর্থনীতিকে ৩ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা এবং এক লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

এক নজরে
- ২০৪৭ সালের মধ্যে ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার মহাপরিকল্পনা।
- এক লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে 'উদ্যোগ সংকল্প' ও 'উদ্যোগ নিধি' প্রকল্প চালু।
- কর্ণাটককে বৈশ্বিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) হাবে রূপান্তরের লক্ষ্য।
ভারতের প্রযুক্তি হাব হিসেবে পরিচিত কর্ণাটক রাজ্য তার ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক রূপরেখা উন্মোচন করেছে। মুখ্যমন্ত্রী 'উদ্যোগ সংকল্প' এবং 'উদ্যোগ নিধি' নামে দুটি বিশেষ প্রকল্প চালু করেছেন, যা মূলত রাজ্যের কর্মসংস্থান কাঠামোকে শক্তিশালী করতে এবং নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে ডিজাইন করা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হলো আগামী কয়েক দশকের মধ্যে রাজ্যটিকে একটি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করা।
এই মহাপরিকল্পনার একটি অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI)। রাজ্য সরকার কর্ণাটককে এআই হাব হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছে। প্রযুক্তির এই নতুন জোয়ারকে কাজে লাগিয়ে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনী স্টার্টআপগুলোর জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করাই প্রশাসনের মূল উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে বিশ্ববাজারে কর্ণাটকের অবস্থান আরও সুসংহত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে সরকার ব্যাপক পরিবর্তনের অঙ্গীকার করেছে। অন্তত এক লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে, যা গ্রামীণ ও শহর উভয় অঞ্চলের তরুণদের জন্য সুযোগ তৈরি করবে। 'উদ্যোগ নিধি' প্রকল্পের আওতায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে উদ্যোক্তা তৈরি করা হবে।
দীর্ঘমেয়াদী এই লক্ষ্যমাত্রায় ২০৪৭ সালকে একটি মাইলফলক হিসেবে ধরা হয়েছে। ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের জিডিপি অর্জনের এই যাত্রা ভারতের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বড় অবদান রাখবে। অবকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটাল রূপান্তর এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরিই হবে এই রূপকল্প বাস্তবায়নের প্রধান হাতিয়ার।
