মেক্সিকোর বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ম্যাচ: জনসমক্ষে থাকছেন না স্টারমার ও বার্নহ্যাম

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মেক্সিকোর মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড। তবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এবং তার উত্তরসূরি অ্যান্ডি বার্নহ্যাম পাবের উৎসব এড়িয়ে বাড়িতেই খেলা দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
06 Jul 2026, 06:46
Updated
06 Jul 2026, 06:46
Reading time
2 min
মেক্সিকোর বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ম্যাচ: জনসমক্ষে থাকছেন না স্টারমার ও বার্নহ্যাম
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • প্রধানমন্ত্রী স্টারমার এবং অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বাড়িতে বসেই ইংল্যান্ডের খেলা দেখবেন।
  • খারাপ আবহাওয়ার কারণে ম্যাচটি স্থানীয় সময় রাত ২টায় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
  • সোমবার সকালেই অ্যান্ডি বার্নহ্যামের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে ফুটবল বিশ্বকাপের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। ইংল্যান্ড বনাম মেক্সিকোর মধ্যকার হাই-ভোল্টেজ ম্যাচটি ঘিরে দেশজুড়ে উন্মাদনা থাকলেও, শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্ব জনসমক্ষে উদযাপন থেকে বিরত থাকছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এবং আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে দায়িত্ব নিতে যাওয়া অ্যান্ডি বার্নহ্যাম—উভয়ই পারিবারিক পরিবেশে খেলা দেখবেন বলে নিশ্চিত করেছেন তাদের উপদেষ্টারা।

মজার বিষয় হলো, খেলা দেখার সুবিধার্থে পাবগুলো ভোর ৫টা পর্যন্ত খোলা রাখার নিয়ম অনুমোদন করেছিলেন স্টারমার নিজেই। তবে তিনি নিজে লন্ডনের বাড়িতে পরিবারের সাথেই রাত জাগার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অন্যদিকে, হবু প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম গ্রেটার ম্যানচেস্টারে তার নিজ বাসভবনে খেলাটি উপভোগ করবেন।

আভ্যন্তরীণ রাজনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে ফুটবল এবং দায়িত্ববোধের মধ্যে এক সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় চলছেন দুই নেতা। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে খেলাটি এক ঘণ্টা পিছিয়ে স্থানীয় সময় রাত ২টায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে ম্যাচটি শেষ হতে হতে ভোরের আলো ফুটে উঠবে।

এই বিলম্বিত সময়সূচী বিশেষ করে অ্যান্ডি বার্নহ্যামের জন্য চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। কারণ সোমবার সকালেই ওয়েস্টমিনিস্টারে সরকারের দায়িত্বভার গ্রহণের প্রস্তুতিমূলক বিশেষ বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব থাকলেও দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি উপভোগ করার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছেন না তিনি। মূলত ক্ষমতার হস্তান্তর এবং জাতীয় ক্রীড়া আবেগ—দুইয়ে মিলেই এখন সরগরম ব্রিটিশ রাজনৈতিক অঙ্গন।