কেরালার বনে অবৈধ জিও-ট্যাগিং রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে বন বিভাগ

কেরালার বনাঞ্চলে পর্যটকদের অবৈধ প্রবেশ এবং অননুমোদিত জিও-ট্যাগিং বন্ধে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে বন বিভাগ। ড্রোন নজরদারি ও ডিজিটাল ডেটা ব্যবহারের মাধ্যমে এই অপতৎপরতা বন্ধের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 15:45
Updated
02 Aug 2026, 15:45
Reading time
2 min
কেরালার বনে অবৈধ জিও-ট্যাগিং রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে বন বিভাগ
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • অননুমোদিত জিও-ট্যাগিংয়ের কারণে সংরক্ষিত বনের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে।
  • অবৈধভাবে প্রবেশের পর নিখোঁজ পর্যটকদের উদ্ধারে বন বিভাগকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
  • ডিজিটাল মানচিত্র থেকে অবৈধ বনাঞ্চল লোকেশন সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কেরালার বনাঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে পর্যটকদের অননুমোদিত প্রবেশ এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে ডিজিটাল মানচিত্রে বনের অভ্যন্তরের বিভিন্ন স্থানের 'জিও-ট্যাগিং' করার প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সংকট নিরসনে কেরালা বন বিভাগ এখন বনের ভেতরকার সব অবৈধভাবে চিহ্নিত করা অবস্থানের তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ শুরু করেছে।

কোঝিকোড় জেলা বন কর্মকর্তা (DFO) জানিয়েছেন, অনেক ক্ষেত্রেই একদল অভিযাত্রী বা একক পর্যটক বনের সংরক্ষিত এলাকায় অবৈধভাবে প্রবেশ করছেন। তারা সেখানে গিয়ে গুগল ম্যাপ বা অন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্থানের নাম বা অবস্থান ট্যাগ করছেন, যা অন্যদেরও সেখানে যেতে উৎসাহিত করছে।

এই ধরনের কার্যকলাপের ফলে বনের ইকোসিস্টেম বা বাস্তুসংস্থান হুমকির মুখে পড়ছে। এছাড়া অনেক সময় পর্যটকরা বনের গভীরে গিয়ে পথ হারিয়ে ফেলছেন বা আটকা পড়ছেন। তখন বন বিভাগকে বিশাল বাহিনী নিয়ে উদ্ধার অভিযান চালাতে হচ্ছে, যা রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় ও বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক চলাচলে বিঘ্ন ঘটায়।

নতুন এই উদ্যোগের আওতায় বন বিভাগ অননুমোদিত সব ডিজিটাল পিন বা লোকেশন সরাতে প্রযুক্তিগত সহায়তা নিচ্ছে। এছাড়া সংরক্ষিত বনে প্রবেশাধিকারে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে এবং যারা আইন লঙ্ঘন করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বনের তথ্য শেয়ার করছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।