বাংলাদেশ আজকাল — Bangladesh Ajkal

পশ্চিমবঙ্গকে পুরনো গৌরবে ফেরানোর অঙ্গীকার শুভেন্দু অধিকারীর, গুরুত্ব পাচ্ছে কর্মসংস্থান ও নারী সুরক্ষা

স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে পশ্চিমবঙ্গের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নারী নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত বাংলা’ গড়ার ডাক দিয়েছেন তিনি।

আরেফিন মোস্তফাভেরিফায়েড রিপোর্টারস্টাফ রিপোর্টার
Published
16 Aug 2026, 01:30
Updated
16 Aug 2026, 01:30
Reading time
2 min
পশ্চিমবঙ্গকে পুরনো গৌরবে ফেরানোর অঙ্গীকার শুভেন্দু অধিকারীর, গুরুত্ব পাচ্ছে কর্মসংস্থান ও নারী সুরক্ষা
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত বাংলা’ গড়ার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ডাক।
  • কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়ন এবং নারী নিরাপত্তাকে দেওয়া হয়েছে বিশেষ অগ্রাধিকার।
  • আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার শুভেন্দু অধিকারীর।

ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অন্যতম শীর্ষ নেতা শুভেন্দু অধিকারী। দ্য হিন্দু-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রথম স্বাধীনতা দিবসের আনুষ্ঠানিক বক্তৃতায় তিনি রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়নের একটি রূপরেখা তুলে ধরেন। তাঁর ভাষণে মূলত উঠে এসেছে অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা এবং সামাজিক সুরক্ষার বিষয়টি।

শুভেন্দু অধিকারী তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়েছেন রাজ্যের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের ওপর। তিনি উল্লেখ করেন যে, পশ্চিমবঙ্গ একসময় ভারতের শিল্প ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র ছিল এবং সেই দিনগুলো ফিরিয়ে আনাই তাঁর সরকারের প্রধান লক্ষ্য। ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার যে স্বপ্ন কেন্দ্রীয় স্তরে দেখা হচ্ছে, তা সফল করতে ‘বিকশিত বাংলা’ গড়া অপরিহার্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।

রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, যুবসমাজের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করা হবে যাতে মেধাবী তরুণদের ভিনরাজ্যে পাড়ি দিতে না হয়। শিল্পায়ন এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রসারের মাধ্যমে অর্থনৈতিক কাঠামো শক্তিশালী করার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

নারী উন্নয়ন এবং নিরাপত্তার বিষয়টিও তাঁর ভাষণে বিশেষ স্থান পেয়েছে। রাজ্যে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি কঠোরভাবে আইন-শৃঙ্খলার উন্নতির আশ্বাস দেন। নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে তিনি জানান।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, একটি সমৃদ্ধ রাজ্যের পূর্বশর্ত হলো শান্তি ও ন্যায়বিচার। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং অপরাধ দমনে কোনো আপস করা হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। সামগ্রিকভাবে, তাঁর এই ভাষণটি ছিল রাজ্যের উন্নয়নের নতুন দিশারি হওয়ার একটি রাজনৈতিক বার্তা।

আরেফিন মোস্তফাভেরিফায়েড রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার