পেরুর ঐতিহাসিক নাজকা লাইনস পর্যটনের সময় বিমান বিধ্বস্ত, ১৩ জনের প্রাণহানি
দক্ষিণ পেরুর ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহাসিক নাজকা লাইনস পরিদর্শনের সময় একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে দুই পাইলটসহ মোট ১৩ জন আরোহী নিহত হয়েছেন। কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক তদন্তে যান্ত্রিক ত্রুটির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এক নজরে
- দুর্ঘটনায় ১১ জন যাত্রী ও ২ জন পাইলট নিহত হয়েছেন।
- ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহাসিক নাজকা লাইনস পরিদর্শনের সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
- উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থল থেকে সব মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে।
পেরুর বিখ্যাত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন নাজকা লাইনস দেখার জন্য পর্যটকদের নিয়ে উড্ডয়ন করা একটি ছোট বিমান ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, এই দুর্ঘটনায় বিমানের ভেতরে থাকা ১১ জন যাত্রী এবং ২ জন পাইলটের সবাই নিহত হয়েছেন। আকাশ থেকে রহস্যময় নাজকা রেখাগুলো দেখার সময় বিমানটি আকস্মিকভাবে নিচে পড়ে যায়।
নাজকা লাইনস দক্ষিণ পেরুর একটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান, যা কয়েক হাজার বছর পুরোনো বিশালাকার ভূ-চিত্রের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। এই ঐতিহাসিক নিদর্শনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতি বছর হাজার হাজার আন্তর্জাতিক পর্যটক ছোট বিমানে চড়ে আকাশ ভ্রমণে যান।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই উদ্ধারকারী দল এবং নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর তাতে আগুন ধরে যাওয়ায় কাউকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। মৃতদেহগুলো শনাক্তকরণ এবং ময়নাতদন্তের জন্য নিকটস্থ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পেরুর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। প্রাথমিকভাবে আবহাওয়া অনুকূলে ছিল বলে জানা গেছে, তাই যান্ত্রিক গোলযোগ বা অন্য কোনো কারিগরি ত্রুটির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এই ট্র্যাজেডিটি পেরুর পর্যটন শিল্পে শোকের ছায়া ফেলেছে। বিশেষ করে পর্যটন মৌসুমে এই ধরনের দুর্ঘটনা দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে আবারও আলোচনায় নিয়ে এসেছে। সরকার এই রুটে চলাচলকারী ছোট বিমানগুলোর ফিটনেস পুনরায় যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছে।
