বিজয়ওয়াড়া রেলওয়ে বিভাগের চমকপ্রদ আয়, প্রথম চার মাসেই ৪,৮৯৪ কোটি রুপি আয়

চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে ভারতের দক্ষিণ উপকূলীয় রেলওয়ের বিজয়ওয়াড়া বিভাগ ৪,৮৯৪ কোটি রুপি রাজস্ব আদায় করেছে, যা পণ্য পরিবহনে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধির প্রতিফলন।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
16 Aug 2026, 00:16
Updated
16 Aug 2026, 00:15
Reading time
2 min
বিজয়ওয়াড়া রেলওয়ে বিভাগের চমকপ্রদ আয়, প্রথম চার মাসেই ৪,৮৯৪ কোটি রুপি আয়
অর্থনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • প্রথম চার মাসে বিজয়ওয়াড়া বিভাগের মোট রাজস্ব ৪,৮৯৪ কোটি রুপি।
  • পণ্য পরিবহন খাত থেকে এককভাবে এসেছে ৩,৩৪৩ কোটি রুপি।
  • ৩২.০৮৪ মিলিয়ন টন পণ্য লোড করে নতুন রেকর্ড গড়েছে এই বিভাগ।

ভারতের দক্ষিণ উপকূলীয় রেলওয়ের (SCoR) আওতাধীন বিজয়ওয়াড়া বিভাগ চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে আর্থিক পারফরম্যান্সে অভাবনীয় সাফল্য প্রদর্শন করেছে। সম্প্রতি ভারতের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মোহিত সোনাকিয়া। তিনি জানান, এপ্রিল থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত এই বিভাগ মোট ৪,৮৯৪ কোটি রুপি রাজস্ব অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

বিভাগটির আয়ের একটি বড় অংশ এসেছে পণ্য পরিবহন খাত থেকে। ডিআরএম-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে বিভাগটি ৩২.০৮৪ মিলিয়ন টন পণ্য লোড করেছে। শুধুমাত্র এই পণ্যবাহী লজিস্টিকস থেকেই রেলওয়ের কোষাগারে জমা হয়েছে প্রায় ৩,৩৪৩ কোটি রুপি। কয়লা, সার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে বিজয়ওয়াড়া বিভাগ একটি গুরুত্বপূর্ণ হাব হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

রাজস্ব বৃদ্ধির পাশাপাশি যাত্রী সেবা ও পরিকাঠামো উন্নয়নেও গুরুত্ব দিচ্ছে এই বিভাগ। স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে মোহিত সোনাকিয়া রেলকর্মীদের নিষ্ঠার প্রশংসা করেন এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে রেলওয়েকে আরও গতিশীল করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে স্টেশনগুলোর আধুনিকায়ন কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়ে ডিআরএম জানান, যান্ত্রিক ত্রুটি কমাতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং সিগন্যালিং ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। বিজয়ওয়াড়া বিভাগ এখন ভারতের অন্যতম লাভজনক রেলওয়ে জোনে পরিণত হওয়ার পথে রয়েছে। এই বিশাল রাজস্ব অর্জন মূলত সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং নিরবচ্ছিন্ন লজিস্টিক চেইনের ফল বলে মনে করা হচ্ছে।