বাংলাদেশ আজকাল — Bangladesh Ajkal

কর্ণাটকে বন্যা সতর্কতা: কেরলে ভারী বৃষ্টির জেরে কাবিনী বাঁধে হু হু করে বাড়ছে জল

কেরলে অতিবৃষ্টির প্রভাবে কর্ণাটকের মহীশূর ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কাবিনী বাঁধে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর তীরবর্তী নিচু এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
01 Aug 2026, 15:01
Updated
01 Aug 2026, 15:01
Reading time
2 min
কর্ণাটকে বন্যা সতর্কতা: কেরলে ভারী বৃষ্টির জেরে কাবিনী বাঁধে হু হু করে বাড়ছে জল
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • কেরলে ভারী বৃষ্টির জেরে কাবিনী জলাধারে ১৫,৫০০ কিউসেক পানির প্রবাহ বৃদ্ধি।
  • কর্ণাটকের মহীশূর জেলার নিম্নাঞ্চলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যা সতর্কতা জারি।
  • কোডাগু জেলায় ১৮০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড, মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তা বৃদ্ধি।

কেরল এবং কর্ণাটকের সীমান্ত এলাকায় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু পুনরায় সক্রিয় হওয়ায় নদ-নদীগুলোতে পানির স্তর দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে কেরলের পাহাড়ি অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে কাবিনী জলাধারে পানির প্রবাহ ১৫,৫০০ কিউসেকে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতির মোকাবিলায় মহীশূর জেলা প্রশাসন নদী অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে উচ্চ সতর্কতা বা ফ্লাড অ্যালার্ট জারি করেছে।

কর্ণাটকের কোডাগু জেলাতেও বৃষ্টির দাপট লক্ষ্য করা গেছে। আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শান্তাল্লিতে ১৮০ মিলিমিটার এবং ভাগমন্ডলায় ১২৫.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। দীর্ঘ খরা পরিস্থিতির পর এই ভারী বৃষ্টিপাতকে ওই অঞ্চলে বর্ষার প্রত্যাবর্তন হিসেবে দেখছেন আবহাওয়াবিদরা।

কাবিনী জলাধারের পানি ধারণ ক্ষমতা অতিক্রম করার আগেই অতিরিক্ত পানি ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। এর ফলে কাবিনী নদীর পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোতে বন্যার ঝুঁকি বেড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের গবাদি পশু নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে এবং নদী পারাপার থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে। কেরলের বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পানির প্রবাহ আরও বাড়তে পারে, যা কাবেরী নদী উপত্যকার অন্যান্য বাঁধগুলোর ওপরও প্রভাব ফেলবে। দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীকে স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে এবং উপকূলীয় জেলাগুলোতে জরুরি ত্রাণ শিবিরের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।