গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় ট্রাম্পের দূতের তৎপরতা: হামাস ও নেতানিয়াহুর সাথে বৈঠক
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত গাজা যুদ্ধ অবসানে একটি নতুন ১৫-দফার শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে হামাস নেতাদের সাথে বৈঠক করেছেন। শীঘ্রই তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সাথেও দেখা করবেন বলে জানা গেছে।
এক নজরে
- মার্কিন সমর্থিত ১৫-দফার নতুন শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে হামাস ও ট্রাম্পের দূতের বৈঠক।
- পরিকল্পনায় হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের শর্ত রয়েছে।
- পরবর্তী ধাপে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সাথে আলোচনা করবেন মার্কিন দূত।
গাজা উপত্যকায় দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ বিরতি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে নতুন করে তৎপরতা শুরু করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের বিশেষ দূত সম্প্রতি হামাস নেতাদের সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। এই আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল মার্কিন সমর্থিত একটি নতুন ১৫-দফার রোডম্যাপ।
প্রস্তাবিত এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাজায় হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং একই সঙ্গে যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই রোডম্যাপটি মূলত গাজায় শান্তি ফিরিয়ে আনার একটি উদ্ধারকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয় লাঘবে সহায়ক হতে পারে।
হামাস নেতাদের সাথে আলোচনার পর ট্রাম্পের দূত এখন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে সাক্ষাতের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হামাসের নিরস্ত্রীকরণের শর্তটি ইসরায়েলের জন্য একটি বড় বিজয় হতে পারে, তবে পূর্ণ সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে তেল আবিব কতটা নমনীয় হবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
মার্কিন প্রশাসনের এই পদক্ষেপে এটি স্পষ্ট যে ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পূর্বেই মধ্যপ্রাচ্য সংকট সমাধানে নিজের অবস্থান শক্ত করতে চাইছেন। তবে ১৫-দফার এই প্রস্তাব বাস্তবায়নে উভয় পক্ষের কাছ থেকে কতটা ছাড় পাওয়া যাবে, তার ওপরই নির্ভর করছে গাজার ভবিষ্যৎ। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজাবাসী এই নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগের দিকে গভীর প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে।
