সাই কৃষ্ণের কাস্টডিয়াল ডেথ মামলা: তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে ধোঁয়াশা, অন্ধকারে এসআইটি
অন্ধ্রপ্রদেশে সাই কৃষ্ণের পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু এবং দেহ নিখোঁজের ঘটনায় তদন্তে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা ও পরিবারের জবানবন্দি গ্রহণ করলেও মূল রহস্য এখনো উন্মোচিত হয়নি।

এক নজরে
- সাই কৃষ্ণের মরদেহ নিখোঁজ হওয়ার রহস্য এখনো উদঘাটিত হয়নি।
- অভিযুক্ত সার্কেল ইন্সপেক্টর এবং পরিবারের জবানবন্দি নিয়েছে এসআইটি।
- তদন্তে স্থবিরতার কারণে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের ওপর চাপ বাড়ছে।
অন্ধ্রপ্রদেশের চাঞ্চল্যকর সাই কৃষ্ণের কাস্টডিয়াল ডেথ বা পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু মামলার তদন্তে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি ছাড়াই সময় পার হচ্ছে। বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) দীর্ঘ সময় ধরে তদন্ত চালিয়েও এখন পর্যন্ত ঘটনার প্রকৃত কারণ বা মৃতদেহের সন্ধান নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যে পৌঁছাতে পারেনি।
তদন্তকারী কর্মকর্তারা সম্প্রতি অভিযুক্ত সার্কেল ইন্সপেক্টর (CI) এবং ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যদের জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে শুরু থেকেই অভিযোগ করা হচ্ছে যে, পুলিশি নির্যাতনেই সাই কৃষ্ণের মৃত্যু হয়েছে এবং পরবর্তীতে প্রমাণ লোপাটের জন্য তার মরদেহ সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
এসআইটি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে তারা মামলার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখছেন। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বয়ানে কিছু অসঙ্গতি পাওয়া গেলেও তা অপরাধ প্রমাণে কতটা সহায়ক হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। অন্যদিকে, ফরেনসিক প্রমাণের অভাব তদন্ত প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলেছে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই ঘটনায় পুলিশের অপেশাদারিত্ব এবং স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা অবিলম্বে ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
বর্তমানে মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আইনি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করছে তদন্তকারী দল। তবে জনসাধারণের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে কারণ দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পরও ঘটনার মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে এবং মৃতদেহের কোনো হদিস মেলেনি।
