মহারাষ্ট্রে রাজনৈতিক শোরগোল: কংগ্রেস বিধায়ককে ২০ কোটি টাকার প্রস্তাবের দাবি সঞ্জয় রাউতের

শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা সঞ্জয় রাউত দাবি করেছেন যে কংগ্রেস এমএলসি ধীরাজ লিঙ্গাড়েকে দলবদলের জন্য ২০ কোটি টাকা অফার করা হয়েছিল। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট বিধায়ক নিজেই।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
05 Jul 2026, 19:00
Updated
05 Jul 2026, 19:00
Reading time
2 min
মহারাষ্ট্রে রাজনৈতিক শোরগোল: কংগ্রেস বিধায়ককে ২০ কোটি টাকার প্রস্তাবের দাবি সঞ্জয় রাউতের
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • সঞ্জয় রাউতের দাবি কংগ্রেস নেতা ধীরাজ লিঙ্গাড়েকে ২০ কোটি টাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
  • টাকার বিনিময়ে দলবদলের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এমএলসি লিঙ্গাড়ে।
  • প্রস্তাবটি কোন দলের পক্ষ থেকে এসেছিল তা স্পষ্ট করেননি শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা।

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে দলবদলের জল্পনা ও দুর্নীতির অভিযোগ নতুন মাত্রা যোগ করেছে। শিবসেনা (ইউবিটি) শিবিরের প্রবীণ নেতা তথা সাংসদ সঞ্জয় রাউত সম্প্রতি এক চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন। তাঁর মতে, কংগ্রেসের বিধান পরিষদ সদস্য (এমএলসি) ধীরাজ লিঙ্গাড়েকে মোটা অঙ্কের বিনিময়ে অন্য দলে যোগ দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়েছিল।

রাউত নির্দিষ্ট করে জানিয়েছেন যে, লিঙ্গাড়েকে ২০ কোটি টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল যাতে তিনি তাঁর বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন করেন। তবে কোন রাজনৈতিক শক্তি বা ব্যক্তি এই প্রস্তাবের পেছনে ছিল, তা নিয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রদান করেননি। এমনকি কোন দলে যোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল, সে বিষয়েও তিনি নীরব ছিলেন।

এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরই রাজনৈতিক মহলে বিতর্কের ঝড় ওঠে। অভিযুক্ত পক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল হিসেবে এই মন্তব্যকে দেখছেন অনেক বিশ্লেষক। তবে সঞ্জয় রাউত সরাসরি কোনো পক্ষের নাম না নিলেও তাঁর ইঙ্গিত ক্ষমতাসীন জোটের দিকে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, কংগ্রেস এমএলসি ধীরাজ লিঙ্গাড়ে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তাঁকে এমন কোনো প্রস্তাব দেওয়া হয়নি এবং তিনি এই ধরনের কোনো লেনদেনের সাথে যুক্ত নন। তাঁর মতে, রাজনৈতিক ময়দানে অহেতুক বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য এই ধরনের খবর ব্যবহার করা হচ্ছে।

মহারাষ্ট্রের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জোট রাজনীতির সমীকরণ অত্যন্ত স্পর্শকাতর। বিশেষ করে বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলবদলের এই অভিযোগ বিরোধী শিবিরের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বা প্রতিপক্ষকে চাপে রাখতে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

সামগ্রিকভাবে, রাউতের এই দাবি এবং লিঙ্গাড়ের পাল্টা অস্বীকার রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। তদন্ত বা প্রমাণ ছাড়া এই ধরনের অভিযোগ কতটা গ্রহণযোগ্য, তা নিয়েও নাগরিক মহলে আলোচনা চলছে।