প্রধানমন্ত্রী মোদীর ‘দিমাগি নকশাল’ মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানালো কংগ্রেস

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাম্প্রতিক মন্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছে কংগ্রেস। জয়রাম রমেশ এই মন্তব্যকে বিজেপির ‘হতাশার বহিঃপ্রকাশ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে মোদী নকশালবাদের আদর্শিক ঝুঁকি নিয়ে কথা বলেন।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
15 Aug 2026, 14:00
Updated
15 Aug 2026, 14:00
Reading time
2 min
প্রধানমন্ত্রী মোদীর ‘দিমাগি নকশাল’ মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানালো কংগ্রেস
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • মোদীর ‘দিমাগি নকশাল’ মন্তব্যকে রাজনৈতিক হতাশা বলছে কংগ্রেস।
  • সশস্ত্র বিদ্রোহ দমনে সাফল্য দাবি করলেও আদর্শিক প্রভাব নিয়ে শঙ্কিত প্রধানমন্ত্রী।
  • বিজেপির সমালোচনার জবাবে কংগ্রেস ভারতের মৌলিক অধিকারে নিজেদের অবদানের কথা স্মরণ করিয়েছে।

ভারতের রাজনীতিতে শব্দযুদ্ধ নতুন মাত্রা পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কর্তৃক ব্যবহৃত ‘দিমাগি নকশাল’ (মানসিক নকশাল) পরিভাষার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারতের জাতীয় কংগ্রেস। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ এই ভাষাকে রাজনৈতিক হীনম্মন্যতা ও ক্ষমতা হারানোর ভয়ের লক্ষণ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মোদী দাবি করেন যে, সশস্ত্র নকশালবাদ ভারত থেকে প্রায় নির্মূল করা হয়েছে। তবে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, কিছু বুদ্ধিবৃত্তিক বা আদর্শিক গোষ্ঠীর প্রভাব এখনও রয়ে গেছে, যারা দেশের অগ্রযাত্রায় বাধা সৃষ্টি করছে। তার এই মন্তব্যকে বিরোধী শিবিরের প্রতি পরোক্ষ আক্রমণ হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এদিকে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বর্তমান সরকারের শাসনব্যবস্থা ও বিভাজনমূলক রাজনীতির সমালোচনা করেন। তিনি ভারতের সংবিধান ও জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় পূর্ববর্তী কংগ্রেস সরকারগুলোর অবদানের কথা তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বর্তমান শাসনামলে দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো হুমকির মুখে পড়ছে।

বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে এই বাদানুবাদের মাঝে রাহুল গান্ধীর লাল কেল্লার অনুষ্ঠানে অনুপস্থিতি নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিজেপি নেতারা একে দেশের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের প্রতি অসম্মান হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে কংগ্রেস এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। সার্বিকভাবে, স্বাধীনতা দিবসকে কেন্দ্র করে ভারতের প্রধান দুই রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হলো।