এইচএমটিকে ৪৩০ একর জমি বন দপ্তরের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দিল আদালত

বেঙ্গালুরুর পিনিয়া প্ল্যান্টেশন ও জারাকাবান্দে স্যান্ডাল রিজার্ভ এলাকায় এইচএমটির দখলে থাকা ৪৩০ একর জমিকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে তা বন দপ্তরের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
05 Jul 2026, 21:01
Updated
05 Jul 2026, 21:00
Reading time
2 min
এইচএমটিকে ৪৩০ একর জমি বন দপ্তরের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দিল আদালত
অর্থনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • এইচএমটির দখলে থাকা ৪৩০ একর জমিকে অবৈধ ঘোষণা করেছে আদালত।
  • উক্ত জমি পিনিয়া ও জারাকাবান্দে বনাঞ্চলের অংশ হিসেবে চিহ্নিত।
  • দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর বন দপ্তর জমিটি ফিরে পেতে যাচ্ছে।

কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি রায়ে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা এইচএমটি (HMT)-কে তাদের দখলে থাকা ৪৩০ একর এবং ২১ গুন্টা জমি বন দপ্তরের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পিনিয়া প্ল্যান্টেশন এবং জারাকাবান্দে স্যান্ডাল রিজার্ভ এলাকার এই বিশাল ভূখণ্ডটি নিয়ে দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়ের পর এই সিদ্ধান্ত এল।

বেঙ্গালুরু বন দপ্তরের ডেপুটি কনজারভেটর এবং অনুমোদিত কর্মকর্তার আদালত এই রায় প্রদান করেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, এইচএমটি বর্তমানে যে জমিটি ব্যবহার করছে তার কোনো বৈধ আইনি ভিত্তি নেই এবং সংস্থাটির দখলদারিত্বকে ‘অননুমোদিত’ ও ‘অবৈধ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বন দপ্তরের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে, উক্ত জমিটি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের অংশ এবং শিল্প ব্যবহারের জন্য এটি হস্তান্তর করা পরিবেশগত আইনের পরিপন্থী। এইচএমটি এই দাবির বিরুদ্ধে বিভিন্ন নথি পেশ করলেও আদালত তা খারিজ করে দেয়।

এই আদেশের ফলে ৪৩০ একরের বেশি বনভূমি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে কর্ণাটক সরকার। পরিবেশবাদীরা এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন, কারণ শহর বর্ধিত হওয়ার ফলে বেঙ্গালুরুতে সবুজায়নের পরিমাণ দিন দিন হ্রাস পাচ্ছিল।

এইচএমটি কর্তৃপক্ষ এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে আপিল করবে কিনা সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। তবে এই সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটির ভবিষ্যৎ বাণিজ্যিক পরিকল্পনার ওপর বড় প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

রাজ্য বন দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জমিটির দ্রুত দখল বুঝে নেওয়ার জন্য তারা প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন। সংরক্ষিত বনাঞ্চল সুরক্ষায় এই রায় একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।