শোকের মাঝেও হাস্যরস: অ্যাঞ্জেলা নিসেলের নতুন স্মৃতিকথা ‘গুড গ্রিফ’

জনপ্রিয় চিত্রনাট্যকার অ্যাঞ্জেলা নিসেল তার নতুন বইতে মরণব্যাধিতে আক্রান্ত মায়ের সেবা ও মৃত্যু পরবর্তী শোককে এক ভিন্ন আঙ্গিকে তুলে ধরেছেন, যেখানে দুঃখের মাঝেও ফুটে উঠেছে জীবনের কৌতুকময় দিকগুলো।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 03:01
Updated
02 Aug 2026, 03:01
Reading time
2 min
শোকের মাঝেও হাস্যরস: অ্যাঞ্জেলা নিসেলের নতুন স্মৃতিকথা ‘গুড গ্রিফ’
বিনোদন · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • অ্যাঞ্জেলা নিসেলের নতুন বইতে শোকের সাথে হাস্যরসের এক অনন্য মিশেল লক্ষ্য করা গেছে।
  • মরণব্যাধিতে আক্রান্ত মায়ের সেবা করার কঠিন বাস্তবতাকে লেখক রসিকতার মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন।
  • ‘স্ক্রাবস’ খ্যাত এই লেখকের লেখনীতে শোককে জয় করার নতুন এক দৃষ্টিভঙ্গি উঠে এসেছে।

বিশিষ্ট লেখিকা ও প্রযোজক অ্যাঞ্জেলা নিসেল তার সর্বশেষ স্মৃতিকথা 'গুড গ্রিফ, পাস দ্য ব্রেড, মম ইজ ডেড'-এর মাধ্যমে পাঠকদের এক আবেগঘন অথচ হাস্যরসাত্মক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করেছেন। এই বইটিতে তিনি তার মুমূর্ষু মায়ের দেখাশোনা করার কঠিন দিনগুলোর বর্ণনা দিয়েছেন। তবে প্রচলিত শোকগাথার বাইরে গিয়ে নিসেল এখানে ব্যবহার করেছেন 'গ্যালোস হিউমার' বা চরম সংকটেও হাসতে পারার অদ্ভুত এক ক্ষমতা।

নিসেলের লেখনীর যাত্রা শুরু হয়েছিল তার কলেজ জীবনের জনপ্রিয় ব্লগ 'দ্য ব্রোক ডায়েরিজ' থেকে। সেখানে তিনি নিজের দারিদ্র্য ও দৈনন্দিন স্ট্রাগলকে যেভাবে রসিকতার সাথে উপস্থাপন করেছিলেন, তা তাকে দ্রুত পরিচিতি এনে দেয়। সেই ধারাবাহিকতা থেকেই পরবর্তীতে তিনি 'স্ক্রাবস' এবং 'দ্য বুন্ডকস'-এর মতো জনপ্রিয় শো-তে লেখক ও প্রযোজক হিসেবে কাজ করেন।

নতুন এই বইটিতে নিসেল দেখিয়েছেন যে মৃত্যু বা বিচ্ছেদের মতো কঠিন সময়েও হাস্যরসের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু। তার মতে, হাস্যরস কেবল বিনোদন নয়, বরং এটি প্রতিকূলতা কাটিয়ে ওঠার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। একজন যত্নকারী হিসেবে তিনি যে মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে গেছেন, তা তিনি সৎভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তার লেখনীতে।

একজন কৃষ্ণাঙ্গ নারী হিসেবে তার বেড়ে ওঠা এবং কর্মজীবনের বিবর্তনও এই বইয়ের অন্যতম অনুষঙ্গ। জীবন ও মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে একজন মানুষ কীভাবে শোকের সাথে সন্ধি করে নিতে পারে, তারই এক অনন্য দৃষ্টান্ত এই স্মৃতিকথা। পাঠকরা এখানে কেবল বেদনা নয়, বরং জীবনের এক গভীর সত্যের সন্ধান পাবেন যা হাসির ছলে বলা হয়েছে।