মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা উঠলেও স্বস্তি নেই কেরালায়, বিরূপ আবহাওয়ায় বিপাকে জেলেরা

কেরালা উপকূলে দীর্ঘদিনের ট্রলিং নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও বিরূপ আবহাওয়ার পূর্বাভাসে সমুদ্রযাত্রা থমকে গেছে। আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কবার্তায় এখন চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন দক্ষিণ ভারতের হাজার হাজার মৎস্যজীবী।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 03:31
Updated
02 Aug 2026, 03:31
Reading time
2 min
মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা উঠলেও স্বস্তি নেই কেরালায়, বিরূপ আবহাওয়ায় বিপাকে জেলেরা
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • ট্রলিং নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হলেও খারাপ আবহাওয়ার কারণে সমুদ্রে নামা স্থগিত।
  • কেরালা ও লাক্ষাদ্বীপ উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করেছে আইএমডি।
  • আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন হাজার হাজার মৎস্যজীবী ও ট্রলার মালিক।

দীর্ঘ ৫২ দিনের অপেক্ষার পর কেরালার মৎস্যজীবীরা ট্রলিং বা জাল টেনে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে প্রকৃতির খেয়ালে সেই আশায় জল ঢেলে দিয়েছে ভারত আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি)। নতুন করে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস আসায় মাছ ধরার নৌকাগুলো বন্দরেই নোঙর করে রাখতে হয়েছে।

কেরালা, কর্ণাটক এবং লাক্ষাদ্বীপ উপকূলের জন্য আইএমডি বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। সমুদ্রে প্রবল বাতাসের গতির কারণে মৎস্যজীবীদের গভীর জলে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সাধারণত বর্ষাকালে মাছের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে এই বার্ষিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়, যার শেষে জেলেরা বড় অংকের আয়ের আশা করেন।

উপকূলীয় এলাকার জেলেরা জানান, ঋণের জালে জর্জরিত হয়ে তারা এই দিনের অপেক্ষায় ছিলেন। অনেক ট্রলার মালিক জ্বালানি ও শ্রমিক বাবদ মোটা অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। এখন আবহাওয়া খারাপ থাকায় তাদের সেই বিনিয়োগ ঝুঁকির মুখে পড়েছে এবং দৈনন্দিন জীবিকা নির্বাহ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থেই এই কড়াকড়ি। উত্তাল সমুদ্রে ছোট ও মাঝারি ট্রলার নিয়ে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের ধৈর্য ধারণ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার জন্য এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা করছেন উপকূলীয় বাসিন্দারা।